
সংগীতশিল্পী, নির্মাতা ও সঞ্চালক হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
গত ২৩ জুলাই রাতে বাসায় হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয় কণ্ঠশিল্পী জুয়েলের। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে নেন। এর আগে, ২০১১ সালে জুয়েলের লিভার ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর ফুসফুস এবং হাড়েও সেটি ক্রমশ সংক্রমিত হয়।
১৯৮৬ সালে ঢাকায় চলে আসেন আবিদুর রেজা জুয়েল। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কেন্দ্রিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েন। তখনই বিভিন্ন মিডিয়ার সাথে তার যোগাযোগ ঘটতে শুরু করে।
জুয়েলের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে। তারপর গত ২৫ বছরের মতো সময়ে তার মোট ১০টি অ্যালবাম বেরিয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে আইয়ুব বাচ্চু সুর দেয়া ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি। জুয়েলের সাতটি অ্যালবামেরই সুর করেছেন আইয়ুব বাচ্চু।
৯০-এর দশকে ব্যান্ড সংগীত যখন তুমুল আলোচনায়, ঠিক তখনি ব্যতিক্রমী একটি কণ্ঠ নিয়ে হাজির হন শিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। আইয়ুব বাচ্চুর সুরে প্রথম অ্যালবাম ‘কুয়াশা প্রহর’ প্রকাশ হয় ১৯৯৩ সালে। প্রথম অ্যালবামেই নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি।
এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘এক বিকেলে’, ‘আমার আছে অন্ধকার’, ‘একটা মানুষ’, ‘দেখা হবে না’, ‘বেশি কিছু নয়’, ‘বেদনা শুধুই বেদনা’, ‘ফিরতি পথে’, ‘দরজা খোলা বাড়ি’ এবং ‘এমন কেন হলো’।
এক বিকেলে সম্পর্ক জুয়েল বলেছিলেন, ‘ওটাই আমার সিগনেচার গান বা সিগনেচার অ্যালবাম। এই গান দিয়েই লোকজন চেনে আমাকে।’



