
গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে এ নিয়ে নয়বার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম।
শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাসের কথা বিবেচনা না করে সরকার বিদ্যুৎ ও ওয়াসার পানির দাম আবারও বাড়িয়েছে। যখন ইচ্ছা বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে সরকার- এই স্বেচ্ছাচারী আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করিয়ে জনগণের ওপর জুলুম চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘গণমানুষ, ভোক্তা অধিকার কিংবা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি-অনুরোধ কোনো কিছুরই তোয়াক্কা না করে যখন মন চাচ্ছে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের পকেট কাটছে। জনগণকে শোষণ করে আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্যই বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে।’
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, লুটপাটের বড় অনুষঙ্গ কুইক রেন্টাল করে এখন বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়া গুনতে হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। গতবার কুইক রেন্টালগুলো উৎপাদন না করলেও ভাড়া দিতে হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। এ বছর দিতে হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা ক্ষমতাসীন দলের ব্যবসায়ীরা পাচার করে দিচ্ছে বিদেশে।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের আমলে এ নিয়ে নয়বার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। বারবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে দেয়ালে পিঠ ঠেকেছে সাধারণ মানুষের। শিল্প মালিকদেরও ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ দশা। দেশীয় শিল্পকারখানা ধ্বংস করে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান বন্ধের মাধ্যমে দেশকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।’
বিএনপির কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা করুণ উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) যেভাবে সরকারের তত্ত্বাবধানে আদালতের অবিচারের শিকার হচ্ছেন, এমন পরিস্থিতিতে তার যদি আরও বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যায়, তাহলে জনগণ কাউকেই ক্ষমা করবে না।’




