Uncategorized

গোবিন্দগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুনীকে দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষন : আটক-৪

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে মোবাইলে প্রেম ও পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাসে প্রলোভন দিয়ে ২০ বছরের এক তরুনীকে চাষকপাড়া গ্রামের সাহাদত হোসেন গত ২৩ সেপ্টেম্বর গোবিন্দগঞ্জ ডেকে আনে। সাহাদত মেয়েটি নিয়ে তার কর্মস্থল চক গোবিন্দ মেগাস্টার হাইওয়ে হোটেলে নিয়ে গিয়ে আসামি জহুরুলের সহযোগিতায় হোটেলের পিছনের একটি ঘরে রাত ৭ টায় ধর্ষন করে। এরপর সাহাদত মেয়েটি কে বিয়ে করার কথা বলে আসামি শ্রী নবানু(৩২) পিতা শুনিল সাং কুড়িপাড়ার নিকট হস্তান্তর করলে সে মেয়েটি নিয়ে আসামি জাহিদ হাসান(২৭) পিতা মৃত ইউনুস আলি সাং কষাইপাড়া এর বোয়ালিয়াস্থ বাগানবাড়িতে নিয়ে গিয়ে আসামি নবানু জাহিদের হাতে তুলে দেয়। জাহিদ, জাহাঙ্গীর(৩৫) পিতা হামিদ সাং বোয়ালিয়া নয়াপাড়া সহ কয়েকজন মিলে মেয়েটিকে ইচ্ছের বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষন করে। আসামি জাহিদ রাতে মেয়েটিকে তার বাগানবাড়িতে তালা মেরে আটকে রাখে এবং পরেরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপি আসামি জাহিদের বাগানবাড়িতে জাহিদ সহ তার চক্রের সদস্যরা মেয়েটিকে আকুতি- মিনতি শর্তেও একাধিক বার ধর্ষন করে। এরপর সন্ধ্যার সময় আসামিরা কোন কাজে বাহিরে গেলে মেয়েটির চিৎকারে প্রতিবেশী এক মহিলা ও পুরুষ এসে রাতে মেয়েটি বাগানবাড়ি হতে কৌশলে বের করে দেয়।এরপর মেয়েটি সাহাদত কে ফোনে ডেকে আনে। সাহাদত মেয়েটি ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ঢাকা চলে যাবার জন্য মায়ামনি মোড়ে আনে।মেয়েটি ঢাকা যাওয়ার ভাড়া চাইলে সাহাদত টাকা আনার কথা বলে পালিয়ে যায়। মেয়েটি সারারাত ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে রাত কেটে পরের দিন ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল অনুঃ ৯ টায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় আসে।এবং মেয়েটির বক্তব্য শুনে অফিসার ইনচার্জ একেএম মেহেদী হাসানের নির্দেশনায় এসআই আরিফের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একটি টিম সাড়াশি অভিযান চালিয়ে প্রথমে আসামি সাহাদত কে এরপর সাহাদতের তথ্য অনুযায়ী আসামি জাহিদ, জাহাঙ্গীর ও জহুরুল কে আটক করে। মেয়েটি বাদিনী হয়ে এজাহার দায়ের করে।গ্রেফতার কৃর্ত ২ আসামির জুডিশিয়াল জবানবন্দি ও ২ আসামির রিমান্ডের জন্য অদ্য ২৬ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button