অর্থনৈতিক সংবাদশিরোনাম

গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

দৈনিক সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টার কাজ, অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার, গণতান্ত্রিক শ্রম আইন, জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, নিরাপদ কর্মস্থল এবং দুর্ঘটনার শিকার হওয়া শ্রমিকদের এক জীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণের দাবিকে সামনে রেখে আজ ১ জানুয়ারি ২০২১ শুক্রবার
বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে শবনম হাফিজকে সভাপতি, বিপুল কুমার দাসকে সাধারণ সম্পাদক ও বাছিদ ফারসিকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত করা হয়।
শিল্প এলাকা মিরপুরের বাউনিয়া বাঁধ আনন্দ নিকেতন স্কুলে সকাল ১১টায় কাউন্সিল উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মোল্লা হারুন রশিদ এবং সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক শবনম হাফিজ। উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশিদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের নির্বাহী উপদেষ্টা শামীম ইমাম, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের ঢাকা নগর সম্পাদক কমরেড নজরুল ইলাম, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র সভাপতি ইকবাল কবীর,
বাংলাদেশ শ্রম ইনস্টিটিউট (বাশি)-এর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সাংবাদিক গোলাম মুর্শেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশনের ঢাকা নগর কমিটির আহ্বায়ক ডা. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা আঁখি মনি, নারায়ণগঞ্জ জেলার সংগঠক আরিফুল ইসলাম আলিফ, সাভার থানা কমিটির নেতা মনিরুল ইসলাম, মিরপুর শিল্পাঞ্চল কমিটির সভাপতি মনির হোসেন, রানা প্লাজা সারভাইভার কমিটির আহ্বায়ক মাহামুদুল হাসান হৃদয় এবং সামবেশ সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান অপু।
সভাপতি শবনম হাফিজ বক্তব্যে বলেন, এদেশের প্রায় প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন যথাসাধ্য তৎপর থেকেছে। সংগ্রাম করতে গিয়ে সংগঠনের শত শত কর্মী জেল, জুলুম, জখম, হয়রানি আর চাকরিচ্যুতির শিকার হয়েছেন এবং আজো হয়ে চলেছেন। আন্দোলনের অভিজ্ঞতা বলছে, অনেক ভুল ও সীমাবদ্ধতা থাকলেও অর্জন কম নয়। যাদের ত্যাগ ও নিষ্ঠার কারণে পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের মজুরি ও মর্যাদা বেড়েছে, তাদের মাঝে গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের ত্যাগী নেতা-কর্মীরাও আছেন। দেশের জনগণের শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা অর্জনের আন্দোলনেও কখনো পিছিয়ে থাকেনি এসব নিষ্ঠাবান কর্মী।
কাউন্সিল আয়োজনের ক্ষেত্রে সংগঠনের নেতা-কর্মী, শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের যে সাফল্য-কৃতিত্ব ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, তার পেছনে রয়েছে জনগণের, বিশেষত শ্রমিকদের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button