
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাত্রী ধর্ষণের ঘটনা স্থল কুর্মিটোলা অভিমুখে ধর্ষণবিরোধী গণপদযাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে এটি শুরু হয়।
‘যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোট’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। পদযাত্রাটি শাহবাগ, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে কুর্মিটোলা এলাকায় গিয়ে শেষ হবে।
পদযাত্রা শুরুর আগে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাবির ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল বলেন, ‘সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পুরুষতান্ত্রিকতা বিরাজ করছে। আজকাল নারীদের ভোগ্যপণ্য মনে করা হয়।’ এজন্য পুঁজিবাদী ব্যবস্থাকে দায়ী করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাবির ছাত্রী ধর্ষণের অপরাধে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে যদি প্রকৃত অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। বিনা অপরাধী কেউ যেন শাস্তি না পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।’
যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোটের আহ্বায়ক শিবলী হাসান চারটি দাবি তুলে ধরেন।
এগুলো হলো—দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ৯০ দিনের মধ্যে ধর্ষকের বিচার সম্পন্ন করতে হবে, কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সিসিটিভির আওতায় আনতে হবে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাদকসহ সব ধরনের অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করতে হবে এবং নারী নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি পুরো ঢাকা শহর সিসিটিভির আওতায় আনতে হবে।




