বিবিধ

কাকের আক্রমণে আহত শকুন

নিয়ামতপুরে প্রায় শতাধিক কাকের আক্রমণে আহত হওয়া ১২ কেজি ওজনের উদ্ধারকৃত ও আহত একটি শকুন পাখির চিকিৎসা চলছে রজশাহী বিভাগীয় বন বিভাগের তত্বাবধানে। মোহনপুর উপজেলার একজন ভ্যাটানরী সার্জন এর চিকিৎসা করছেন। প্রায় তিন দিন ধরে চলছে পাখিটির চিকিৎসা। সুস্থ্যতা ফিরে পেলেই শকুন পাখিটিকে আবার অবমুক্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
রাজশাহী বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, আহত শকুন পাখিটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে একজন ভ্যাটানরী সার্জন এর চিকিৎসা করছেন। চিকিৎসা শুরু হওয়ার পর থেকেই ধীরেধীরে পাখিটি সুস্থ্য হয়ে উঠছে জানান তিনি। খাবারও খাচ্ছে স্বাভাবিক। পাখিটি পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে গেলেই তাকে রাজশাহী বিভাগের গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী বাগানে থেকে অবমুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া বিরল প্রজাতির এ শকুন পাখিটি সম্ভবত দল ছুট হয়ে নিয়ামতপুরের আকাশে প্রায় শতাধিক কাকের আক্রমণের শিকার হয়। এমন দৃশ্য চোখে পড়ে উপজেলার বালাহৈর গ্রামের বাসিন্দা ক্ষিতিষ চন্দ্র দেবনাথের। একপর্যায়ে শকুন পাখিটি মাটিতে পড়ে যায়। তবুও কাকের আক্রমণ চলতে থাকে। এমন অবস্থায় ক্ষিতিষ চন্দ্র দেবনাথ দৌড়ে গিয়ে শকুন পাখিটিকে কাকের কবল থেকে উদ্ধার করে নিজের হেফাজতে রাখেন ও উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ মাহফুজুল আলম পাখিটি নিজের তত্বাবধানে এনে উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পাখিটি সংরক্ষণের পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিয়ামতপুর উপজেলা বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করেন। নিয়ামতপুর বন বিভাগ শকুন পাখিটি গ্রহনের পর পরই ওই দিনই পাখিটিকে রাজশাহী বন বিভাগে হস্তান্তর করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button