করোনাকালে ত্রাণ চুরির প্রতিবাদ ও ক্ষেতমজুরদের রক্ষায় মানিকগঞ্জে স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ”কাজ মজুরী জমি অধিকার ইনসাফ চাই, গ্রামীণ ক্ষেতমজুরদের সারা বছর কাজ চাই, বাঁচার মত বাঁচতে চাই,পল্লী রেশন চালু ” সহ ১০ দফা দাবি নিয়ে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি সারা দেশের প্রত্যেকটি উপজেলা নির্বাহী বরাবর স্মারনলিপি প্রদান ও করোনাকালে সীমাহিন ত্রান চুরির প্রতিবাদে দূরবন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ মানিকগঞ্জ শহর বেউথায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সংলগ্না বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির জেলা কার্যালয়ের সামনে সকাল ১১.০০-১২০০ ঘটিকা পর্যন্ত ত্রাণ চুরির প্রতিবাদে দূরবন্ধন কর্মসূচি ও মহামারী
করোনায় ক্ষেতমজুরদের রক্ষায় ১০ দফা দাবি নিয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা কার্যালয়ে স¥ারক লিপি প্রদান করা হয় এবং সংগঠনের নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক সদস্যদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়।
প্রতিবাদী দূরবন্ধন কর্মসূচীতে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড তোতা মিয়া ও সাধারন সম্পাদক কমরেড গুরুদাস সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও জেলা সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. মিজানুর রহমান হযরত, প্রধান বক্তা ও স্মারক লিপি পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুল মান্নান। আরো বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিংগাইর উপজেলা কমিটির সভাপতি শ্রমিক নেতা কমরেড নাসির উদ্দিন, সংগঠনের জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কারাবরনকারী তুখোর কৃষক-ক্ষেতমজুর নেতা কমরেড দুলাল বিশ^াস, সিপিবি সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড আশরাফ সিদ্দিকী, প্রগতি লেখক সংঘের সাধারন সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম ও লতা আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন বৈশি^ক মহামারী করোনাকালে সারা বিশ^ ও তাবদ দুনিয়ার মানুষ যখন চরমভাবে আক্রান্ত ও হুমকীর মুখে মানবসভ্যতা তখন আমাদের দেশের শাসকদলের পেটুয়া বাহীনি তারা আমলাদের সাথে যোগসাজশ করে ত্রাণসহ ধনসম্পদ লুটপাট- দুণীতির মহাউতসবে মেতে উঠেছে। নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে তার কিঞ্চিতমাত্র প্রকাশ হলে সরকার একটু নরেচরে বসলেও চোরদের সামাল দিতে পারছে না। অভুক্ত গ্রামীণ ক্ষেতমজুরসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর এই হক, সরকারি প্রনোদনা,সুযোগ সুবিধা সবই ঘুরেফিরে সুবিধাবাদী বিত্তবানদের হাতে ধরা দিচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সম্পদের অসম বন্টন চরম মাত্রায় দেখা দিবে এবং দারিদ্রতার হার হ্রাস না পেয়ে বৃদ্ব্যি পাবে। বক্তারা বলেন গ্রামীণ বরাদ্দে লুটপাট বন্ধসহ এই সকল সমস্যা সমাধান করতে হলে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্ঠনী আরো জোরদার,ভাতা বৃদ্ব্যি, কৃষক-ক্ষেতমজুরদেরকে পেনশন স্কীম,সহজ শর্তে কৃষি ঋণ ও পল্লী রেশনের আওতায় আনাসহ ১০ দফা দাবি মানলে আশু সমস্যার সমাধান করা সম্বব।




