কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর বিস্তর অভিযোগ। বিচার সালিশ গুম

সিলেট প্রতিনিধিঃ কোম্পানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে নিজ সংগঠনের সহ-সভাপতি মঈন উদ্দিন মিলনসহ অন্তত আরো কয়েকজনের মৌখিক আবেদন হয়। ১০ মার্চ থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় নিজ সংগঠনের মেসেঞ্জার গ্রুপে।
প্রেসক্লাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবরে ফোন করে ও সরাসরি অভিযোগ করা হয় আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে।
ফলে ২৩ মার্চ উপজেলা সদরস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সভায় দীর্ঘ আলোচনায় জনগুরুত্বপূর্ণ ধলাই সেতু হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে সাপ্তাহিক অর্ধ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় ও নিজ সংগঠনের সহ-সভাপতির উপর চাঁদা দাবির প্রেক্ষিতে কথিত ওই নামধারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তুমুল হট্টগোল হলে সভাপতির নির্দেশে তদন্ত কমিঠি গঠন হয়।
যদিও আমার অনাস্থা ছিলো উক্ত তদন্ত কমিঠির উপর। আমার দাবি ছিলো সিনিয়র-জুনিয়র মিলিয়ে অন্তত ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের। নীতি নির্ধারকদের চাপাচাপিতে ন্যায্য বিচারের আশ্বাস ও যে দোষী সাব্যস্থ হবে তার শীঘ্রই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়ে জরুরী সভার মুলতবি ঘোষণা করা হয়।
অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, দীর্ঘ একযুগ ধরে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়েও বার বার অনুনয়-বিনয় করলেও বিচার সালিশের নামে শুধু হবে হচ্ছে বলে ক্ষালক্ষেপন হয়। তাছাড়া আমাকে বিভিন্ন মাধ্যমে তার সাথে সিন্ডিকেট নামক আপোষ মিমাংসার প্রস্তাবে আমি হতভম্ব।
এলাকাবাসী জানেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। সাংবাদিকতার পাশাপাশি জীবনের তাগিদে ব্যবসা করতে হয়। চিপ পাথর, বালু, এলসি পাথরসহ আমার ছোট্ট একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
তবে দুঃখজনক হলেও সত্য হিংসুটে, হীনমন্য মানুষ নামের কথিত ওই সাংবাদিকের কুদৃষ্টি পড়ে আমার উপর। ছলে-বলে ও কৌশলে ফ্লেক্সিলোড থেকে শুরু করে বিভিন্ন অজুহাতে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয় আমার কাছ থেকে। চাঁদাবাজির বিষয়টি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও অবগত যা একটি অডিও ক্লিপে সংরক্ষিত।
অবশেষে আমার উপর নির্ধারিত হারে চাঁদা দাবি করলে আমি তাতে হতভম্ব হয়ে অপারগতা প্রকাশ করি। অপারগতা প্রকাশের কারণেই তার রোষানলে পড়তে হয় আমাকে।
যে কারণে সেই নামধারী সাংবাদিক আমার কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করে। যা এলাকায় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠে। ওই ঘটনায় একদিকে আমি হতাশ হয়ে পড়ি। অন্যদিকে জুনিয়রদের অনুরোধে এতটা দিন অতিবাহিত অর্থ্যাৎ বিচার সালিশের নামে ২৫ দিন অতিবাহিত।
চতুর চাঁদাবাজ সাংবাদিক আব্দুল আলীম আমার সংগঠনের দায়িত্বশীলদের বলে, “আমরা একই গ্রামের। তোমরা মাতিওনা। ওলাউ হে ঠান্ডা অইবো।”
পরবর্তীতে দায়িত্বশীলদের একজন আমাকে বলেন, “যা হবার হয়েছে, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্য, চলাফেরা করুন। সমস্যা হবে না।”
নানান টালবাহানা আর ছলচাতুরীতে আমার ন্যায্য বিচার ও তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার দাবী গুম হয়েছে।
এহেন পরিস্থিতিতে দেশ, জাতি, এলাকাবাসী ও শুভাকাঙ্খীদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি আমি এক মজলুম সাংবাদিক আমার উপর নিপীড়ন, নির্যাতন, ষ্টিম রোলার চালানো হবে কথিত সোর্স ইদ্রিস বাহিনী দ্বারা। বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় আছি।
এমতাবস্থায় দোয়া চাই সবার। আইনী সহায়তা চাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
সত্য, ন্যায় ও মানবতার জয় হোক। প্রিয় সংগঠনের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। সত্য উন্মোচনে নিপাত যাক শ্রমজীবী মেহনতি অসহায় মানুষদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কারী কথিত সাংবাদিক আব্দুল আলীমের।
বিঃদ্রঃ বিস্তর চাঁদাবাজি/ক্ষতিপূরণের প্রমাণ স্বরূপ অডিও ও ভিডিও ক্লিপ সংরক্ষণ রয়েছে।




