এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দাম কমলেও কটিয়াদীতে ক্রেতারা পাচ্ছেনা কম দামে

রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে এলপিজি ১২ কেজি ওজনের গ্যাস সিলিন্ডার দাম ৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করলেও সেই দামে পাচ্ছে না ক্রেতারা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার। খুচড়া বিক্রেতারা বলেন আমরা ডিলার পয়েন্ট থেকে বেশি দামে কেনা এবং সরবরাহ কমের অজুহাত দেখিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাস।
যেখানে ১২ লিটারের এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ৯৯৯ টাকায় ক্রেতার পাওয়ার কথা, সেখানে এখনো বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৫০ টাকায়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে। গত ৩ জুলাই সন্ধ্যা থেকেই এ মূল্য কার্যকর করার কথাও বলা থাকলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। সে কারণে ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে বাগবিতণ্ডা লেগেই আছে। ক্রেতা মনির হোসেনের সঙ্গে কথা হলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গ্যাসের দাম কমে ৯৯৯ টাকা হয়েছে, কিন্তু আমার কাছে নিলো ১২৫০ টাকা। তাহলে কি দাম কমানোর নামে আমাদের সঙ্গে নাটক চলছে।
অপর এক ক্রেতা ইহসান বলেন, আমর জানা মতে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও দোকানদার অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে আমাদের কাছে। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসন।
খুচড়া বিক্রেতা মসূয়া বাজারের কামাল মিয়া ও পং মসূয়া বাজারের আবুল কাসেম জানান, আমরা ডিলারদের কাছ থেকে নির্ধারিত দামের ছেয়ে বেশি দামে কিনতে হয়। এই জন্য কম দামে বিক্রি করতে পারি না।
১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দাম তো কমছে এমন প্রশ্নের উত্তরে বসুন্ধরা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার মো. আশরাফ বলেন ১২ কেজি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দাম আরো বাড়বে কম দামে টিভিতে বিক্রি করে আমরা বিক্রি করি না। যমুনা ও টোটাল এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার মো. বেনু মিয়া জানান, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে আমরা কোম্পানীর কাছ থেকে কিনতে পারি না। তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার খানজাদা শাহরিয়ার বিন মান্নান জানান, অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়ের অভিযোগ পেয়েছি, বাজার মনিটরিং করে দেখব। যারা অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




