এক গাভীর দুই বাছুর প্রসব

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পৌর ৯নং ওয়ার্ড বদি উজ্জামান পাড়ার মজিবর মাষ্টারের একটি গাভী জমজ বাছুর প্রসব করেছে। একই উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়ন চরবালিয়াকান্দী বাড়ই ডাঙ্গা গ্রামের সনদ বিশ্বাসের একটি গাভী বাচ্ছা প্রসবের আগেই দুধ দিচ্ছে।
বদিউজ্জামান পাড়া মজিবর মাষ্টারের বাড়ীতে গিয়ে দেখা যায় মাষ্টার তার কালো রংয়ের গাভীটি পরিচর্জা করছেন এবং সদ্য বাছুর দুটি একই সাথে মায়ের দুধ পান করছে। এসময় মাষ্টার সাহেব বলেন, চলতি মাসের ১৭ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টায় ৪০ মিনিটের ব্যবধানে তার গাভীটি দুটি বাছুর প্রসব করে। তিনি আরও বলেন এটি তার গাভীর দ্বিতীয় প্রসব। প্রথম বার প্রসবের আগে গাভীটির পেটে বাচ্চা থাকা অবস্তায় একাধারে ৭-৮ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন ৮/১০ কেজি করে দুধ দিত। আর এবার গাভীটি দুটি বাচ্ছা দিল সবই আল্লার ইচ্ছার প্রতিফলন।
অপর দিকে ছোটভাকলা ইউনয়নের চর বালিয়াকান্দী বাড়ই ডাঙ্গা গ্রামের সনদ বিশ্বাসের বাড়ীতে গিয়ে তার স্ত্রী বাছুর ছাড়াই তার কালো রংয়ের গাভীর লাল বালতীতে দুধ সংগ্রহ করতে দেখা যায়।

গোয়ালন্দ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বরুণ কুমার দত্ত জানান, দুটি ঘটনাই প্রাকৃতির কারনে ঘটে থাকে। একটি পূর্নবয়স্ক গাভীর ডিম্বাসয়ে স্বাভাবিক নিয়মে প্রতি ২১ দিন পর একটি করে ডিম্বানু তৈরী হয়। এটাকে গাভীর গরম হওয়ার প্রিয়ড বলে। গরম হওয়া প্রিয়ডে প্রাকৃতিক নিয়মে গাভীর ডিম্বাসয়ে যদি একের অধিক ডিম্বানু সৃষ্টি হয় আর এ সময় ষাড়ের শুক্রানুর সমন্ময় ঘটে তাহলে এ ধরনের জমজ বাছুর জন্ম হয়ে থাকে। আবার গাভী গর্ভবতী থাকা কালীন সময়ে হরমন এর প্রভাবে অগ্রিম দুধ দানের ঘটনা ঘটতে পারে। আর এ ধরনের গাভীকে হিন্দু ধর্মে কাম ধেনু বলে। সুত্র: নয়াদিগন্ত




