বিবিধশিরোনাম

এই শহরে না রয়েছে রাস্তা না ফুটপাথ!

কল্পনা করুন আপনি এমন একটি জায়গায় রয়েছেন সেখানে সড়কের কোনও অস্তিত্ব নেই। সড়ক ছাড়ুন ফুটাপতেরও কোনও অস্তিত্ব নেই। আর এই রকমই স্থান রয়েছে পৃথিবীতে।
গিএথুর্ন নেদারল্যান্ডসের একটি বিখ্যাত পর্যটক স্থান। যেটাকে নেদারল্যান্ডসের ‘ভেনিস’ ও বলা হয়। এই শহরের সোন্দর্য দেখে সেখানে আপনার গিয়ে থাকতে ইচ্ছা করবে। পুরো হল্যান্ডে এই স্হানটি পর্যটনের জন্য বিশেষ বিখ্যাত।
> গিএথুর্ন হল্যান্ডে ওবরেজেস্মল প্রদেশে অবস্হিত একটি ছোট গ্রামীণ এলাকা। এই স্হানটি প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল দ্বারা পরিবেষ্টিত। স্হানীয়রা পরিবহনের জন্য ইলেকট্রনিক নৌকা ব্যবহার করেন।
> এটি একটি বিশেষ সুপরিচিত পর্যটন স্হান। তাইজন্য বহু পর্যটক তাদের মানসিক ক্লান্তি এবং কাজের বোঝা থেকে অব্যাহতি পেতে এখানে নৌকার আনন্দ উপভোগ করতে আসেন। যদি আপনে শান্ত হ্রদে ঘুরতে চান হল্যান্ডের গিএথুর্ন একটি আদর্শ স্হান।
> স্হানীয়রা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য শহরের মাঝখানে অবস্হিত খালের মধ্যে কাঠের সেতু নির্মাণ করেছেন।
> এই অঞ্চলটিকে ১১৭০ সালে ভয়ঙ্কর বন্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, যার ফলে পুরো শহর প্লাবিত হয়েছিল। তবে তখন এই স্হানটি জঙ্গলময় ছিল এবং এখানে কেউ বসবাস করতো না।
> এই গ্রামটি বন্যার ৬০ বছর পরে অর্থাত্ ১২৩০ সালে গড়ে উঠেছিল। মানুষ যখন এখানে বসতি স্হাপন করতে আসে তখন তারা এখানে প্রচুর বন্য ছাগলের শিং পান। মনে করা হয়েছিল বন্যার জলের মাধ্যমে এই শিং এখানে এসে জড়ো হয়েছিল। এই কারণে এই স্হানটি প্রথমে ‘গেটেনহর্ন ‘ বলা হতো। যার অর্থ হলো “ছাগল শিং”।
> এখানে খালের নির্মাণের কাহিনী আরও আকর্ষণীয়। আপনারা জেনে বিস্মিত হবেন যে এই খালের নির্মাণ অজান্তে হয়েছিল। যখন মানুষ এখানে বসবাস করতে আসে তখন তারা দেখে বন্যার কারণে এখানে জায়গায় গর্ত হয়ে গেছে। এই গর্ত হলো একধরনের মাটির মিশ্রণ।
> এরপর গ্রামবাসীরা খনন করতে শুরু করে। এরপর কয়েক বছর ধরে খনন করতে করতে অজান্তেই খালের নির্মাণ হয়ে যায়। তখন তারা বুঝতেও পারেনি যে স্থানটি পর্বর্তীকালে খালের জন্যই বিখ্যাত হয়ে যাবে। এই গ্রামে প্রায় ৮ কিলোমিটার লম্বা খাল রয়েছে।
> এখানে প্রায় ১৮০ সেতু রয়েছে, যা খালের নেটওয়ার্ক তৈরি করতে সাহায্য করেছে। এই স্হানটি চিনা পর্যটকদের সংখ্যাগরিষ্ঠ জন্য পরিচিত। এখানে প্রতি বছর ২ লক্ষ পর্যটক আসেন।
– ইন্টারনেট

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button