উত্তেজনা ছড়াতে বারণ করলেন ইনজামাম

চলমান সিরিজে ওল্ড ট্রাফোর্ডে দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ৩৩০ রানে পরাজিত হওয়া ম্যাচে যাচ্ছেতাই পরফরমেন্সের পরও দলে উত্তেজনা সৃষ্টির কোনো প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচক ইনজামাম-উল-হক।
লর্ডসে ঐতিহাসিক জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেই দলের এমন পারফরমেন্সর পর ব্যাটসম্যানদের সমালোচনা করা হচ্ছে। তবে লিজেন্ডারি ইনজামামের বিশ্বাস টানেলের শেষেই থাকে আলোর রেখা এবং তার দল শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়াই করতে সক্ষম।
স্থানীয় পাক প্যাসন ওয়েবসাইটকে ‘বিগ ম্যান’ ইনজামাম বলেন, ‘আমরা হয়তো ম্যানচেস্টারে সমস্যায় পড়েছি। তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস এ সফর শেষে আমাদের ব্যাটসম্যানরা ‘গুরুত্বপূর্ণ’ অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, যা ভবিষ্যতের জন্য সহায়ক হবে।’
তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের কারণে দলে উত্তেজনা ছড়ানোর কোনো প্রয়োজন নেই। অতীতে এমন কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা না থাকা একটি দলের জন্য এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। উপমহাদেশের বাইরের দলগুলোও এখানে এসে স্পিনের বিরুদ্ধে একইভাবে সমস্যায় পড়ে।
‘দেশের মাটিতে কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমরা চেষ্টা করবো এবং প্রতিটি বল খেলব। তবে কোনটি খেলতে হবে আর কোনটি ছাড়তে হবে ইংলিশ কন্ডিশনে আপনাকে তা সঠিকভাবে নির্বাচন করতে হবে। আমাদের ব্যাটসম্যানদের দরকার টেকনিক্যাললি নিজেদের উন্নতি ঘটানো। যাইহোক আমি মনে করি না এ পরাজয়ের জন্য তাদের দায়ী করা উচিত। আমাদের ধৈর্য্য ধরতে হবে।’
পাকিস্তানের সাবেক এ টেস্ট ব্যাটসম্যান ইংল্যিান্ড অধিনায়ক এলিস্টার কুকেরও প্রশংসা করেন।
ইনজামাম বলেন, ‘সত্যিই কুক আমাকে মুগ্ধ করেছেন। তার খেলোয়াড়ী জীবন আমি নিবিড়ভাবে লক্ষ্য করেছি। তিনি চমৎকার একজন খেলোয়াড় এবং প্রতি ইনিংসেই উন্নতি করছেন। এই মুহূর্তে তিনি যেভাবে ব্যাটিং করছেন এটা অব্যাহত থাকলে আমি তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখছি।’
সাবেক এ গ্রেট দ্বিতীয় টেস্টে কেবলমাত্র পাকিস্তান অধিনায়কের পারফরমেন্সের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, ‘কিভাবে ব্যাট করতে হয় মিসবাহ তা দেখিয়েছে। আমাদের দলে সে সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও অধিনায়ক। আমাদের দলে ইউনিস খানও আছেন। অখিজ্ঞতার কারণে যার ওপর নির্ভর করা যায়। আমাদের সাফল্য পাওয়ার জন্য এই দুই খেলোয়ড়ের পারফরমেন্সই মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।’
সাবেক এ অধিনায়ক বলেন, কঠিন প্রতিপক্ষ এবং বিদেশের কন্ডিশনে আমরা যে জিততে পারি লর্ডসেই সেটা প্রমাণ হয়েছে।




