বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লম্বা ব্যক্তি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠেছে ফয়েজ ইসাবির। একই সাথে তিনি ইরাকের সবচেয়ে লম্বা ব্যক্তি। অথচ দেশটির কর্তৃপক্ষ তাকে যথেষ্ট সহায়তা দিচ্ছে না।
রাজধানী বাগদাদে ইসাবি (২৭) জানান, তাকে সহায়তার জন্য কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের উৎসাহ দেখাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ২০১৪-২০১৭ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ বিশ্বের সবচেয়ে তরুণ লম্বা ব্যক্তি হিসেবে আমাকে স্বীকৃতি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে।
২ দশমিক ৩ মিটার উচ্চতার এ মানুষটি বলেন, আমি ইরাকের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে দেশের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য আবেদন করেছি।
ইরাকের জাতীয় বাস্কেট দলের সদস্য ইসাবি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার আবেদনের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কোনো আগ্রহ দেখায়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমি আর্থিক কোনো সহায়তা চাই না, তবে নৈতিক সমর্থন চাই।’
ইসাবি জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন আমার অনুসারীর সংখ্যা চার লাখ ৮০ হাজার। এদের বেশির ভাগই তরুণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। যদি আমি নির্বাচনে দাঁড়াই, খুব সহজেই পার্লামেন্ট সদস্য হতে পারব। আমি আমার অনুসারীদের ধন্যবাদ জানাই, কিন্তু আমি রাজনীতির সাথে যুক্ত হতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘তুরস্ক আমার জন্য বিশেষ জায়গা, চলতি বছরের অক্টোবরে আমি দেশটির কেন্দ্রে অবস্থিত আসারা শহর ভ্রমণ করেছি।’
ইসাবি বলেন, ‘আমি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের সাথে সাক্ষাৎ করতে চাই এবং ইরাকের ঐতিহ্য বহন করে এমন কিছু উপহার দিতে চাই।’
ইরাকের সবচেয়ে লম্বা মানুষটি বলেন, ‘জানুয়ারিতে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে তুরস্কে যাবো।’ তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড ও স্পেনেও যাবো।’
ইসাবি বলেন, ‘আমি মুসলিম ও আরব বিশ্বের শান্তির দূত হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করব।’




