আস্থার প্রতিদান দিলেন ইউনুস খান

২০০০ সালে টেস্ট অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১০৮টি টেস্ট। ৩১ সেঞ্চুরি আর ৩০টি হাফ সেঞ্চুরিতে তার মোট রান ৯৪৫৬। আছে একটি ট্রিপল সেঞ্চুরিসহ ৬টি ডাবল।
কিন্তু চলতি ইংল্যান্ড সফরে যেন নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। সমালোচনাও কম হয়নি এ নিয়ে। এই টেস্টে ব্যাটিং অর্ডারে তাকে ৫ নম্বরে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। একাদশের বাইরে রাখা হতে পারে এমন গুঞ্জনও শোনা গিয়েছিল।
তবে অভিজ্ঞ এই সেনানির ওপর থেকে এখনো ভরসা হারাননি মিসবাহ। ধারবাহিক ব্যর্থতায় মোহাম্মদ হাফিজকে দলের বাইরে রাখলেও ইউনুসকে ঠিকই খেলিয়েছেন। বুড়ো হারের ভেলকি কেমন হতে পারে, তা মিসবাহর চেয়ে আর কেই বা ভালো জানেন। হলোও তাই! কি দারুণভাবেই না অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিলেন ইউনুস খান। দলের বিপর্যয়ের মূহুর্তে আসাদ শফিক কে নিয়ে দারুণ এক জুটি গড়ে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন দলকে। আসাদ শফিকের বিদায়ের পর লেড অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের নিয়ে দলের স্কোর নিয়ে যান অনেকটাই ইংল্যান্ডের নাগালের বাইরে। তৃতীয় দিন ২১৮ রান করে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে যখন এলবিডব্লিউ হন, ম্যাচ তখন পাকিস্তানের পকেটে।
সন্দেহাতিতভাবেই ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইউনুস খান। পাকিস্তান দুর্দন্ত জয়ে ফিরে এসেছে সিরিজে। স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ২-২ সমতায় সিরিজ শেষ করলো তারা। -নয়া দিগন্ত




