আমেরিকাকে চোখ রাঙাচ্ছে চীন

দক্ষিণ চীন সাগরে কৃত্রিম প্রযুক্তিতে তৈরি করা সাতটি দ্বীপে অত্যাধুনিক বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে চীন। বিষয়টিকে এক প্রকার আমেরিকার ওপর চীনের চোখ রাঙানি হিসাবে দেখছেন কূটনৈতিক এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।
চীনের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের দাবি তুলেছে স্বয়ং মার্কিন প্রতিরক্ষা গবেষকরা। এদিকে আমেরিকার দাবি সত্য বলেই মনে হচ্ছে চীনের প্রতিক্রিয়ায়। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, দেশের প্রতিরক্ষার জন্য যা যা করা দরকার বেইজিং সেই ধরনেরই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, কোন প্রতিবেশি বা অন্য কেউ যদি বাড়ির সামনে এসে শক্তি প্রদর্শন করে তাহলে তাদের অন্তত গুলতি মেরে ঠেকানোর প্রস্তুতিতো নিয়ে রাখতে হবে। চীনের এই জলপথ দিয়েই হংকং, হোচিমিন নগরী, সিঙ্গাপুর এবং ফিলিপাইনে প্রবেশ করতে হয়। কাজেই জলপথের গুরুত্বপূর্ণ এই পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ চীনের হাতে গেলে অন্যদের সমস্যা তো হবেই। মার্কিন অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিসও বলেছেন, এই পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক কোন দেশের হাতে যাওয়া উচিত নয়।
এশিয়ান ম্যারিটাইম ট্রান্সপারেন্সি ইনিসিয়িটিভ বা এএমটিআই এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে বেইজিং ভালো ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছে। এমনকি তারা বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। এদিকে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন জাহাজ টহলের বিষয়টি তুলে ধরেছে। পাশাপাশি চীনের এসব বিষয়কে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে উল্লেখ করেছে।




