Uncategorized

আদালতে চাকরিজীবীদের গাড়ির রেজিস্ট্রেশন লাগে না!

লক্ষ্মীপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাম ব্যবহার করে চলছে রেজিস্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেল। ১৮ নভেম্ববর, সোমবার বিকেলে আদালত প্রাঙ্গনে একটি নেভি-ব্লু রঙের পালসার মোটরসাইকেলের সামনে ‘চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, লক্ষ্মীপুর’ লেখা দেখা যায়। ওই মোটরসাইকেলের পেছনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল না।
কিছুক্ষণ পরেই হেলমেট পরিহিত আরো দুজনকে সাদা কালারের আরেকটি মোটরসাইকেল নিয়ে আদালত থেকে বের হতে দেখা যায়। তাদের মোটরসাইকেলেও কোন রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেখা যায়নি। সামনে লেখা ছিল ‘চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, লক্ষ্মীপুর।’
জানা গেছে, নেভি ব্লু কালারের পালসার মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করছে নিশাদ হাওলাদার। তিনি লক্ষ্মীপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
অভিযোগ রয়েছে নিশাদ এ মোটরসাইকেল ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে মহড়া দিচ্ছেন। আতংকিত করছেন সাধারণ মানুষদেরকে। তার নিজ এলাকায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নামে প্রভাব খাটিয়ে একাধিক অপকর্মের সাথেও জড়িত রয়েছেন নিশাদ। আদালতের নামের মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করছেন বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নিশাদ বলেন, ‘মোটরসাইকেলে এমন লেখার অধিকার আমার আছে। তাই আমি ব্যবহার করছি। আমার মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রয়োজন নেই।’
এ বিষয়ে জানতে সোমবার সন্ধ্যায় ৬টা ২২ মিনিটে লক্ষ্মীপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মুমিনুল হাসানের মুঠোফোনে কল করে কথা বলা সম্ভব হয়নি। বাংলা

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button