আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে রোববার থেকে কিম্বারলির ডায়মন্ড ওভালে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এই সিরিজকে সামনে রেখে দলের তারকা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ফিরে আসা বাংলাদেশ দলকে অনেকটাই উজ্জীবিত করে তুলেছে।
যদিও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা অনেকটা দাপটের সাথেই বাংলাদেশকে হোয়াইট ওয়াশ করেছে। তার উপর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্সের অন্তর্ভুক্তিও স্বাগতিকদের অনেকটাই এগিয়ে রেখেছে। এছাড়ও রান খরার কারণে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়া আরেক ব্যাটসম্যান জেপি ডুমিনিও দলে ফিরেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনও ডুমিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবেই নিজেকে ধরে রেখেছেন।
সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ওয়ানডেতে বাংলাদেশ দারুণভাবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। জুনে ইংল্যান্ডের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস লীগে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে খেললেও দক্ষিণ আফ্রিকা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ। কিন্তু সবকিছুর পরেও কাল থেকে শুরু হওয়া ওয়ানডে সিরিজে স্বাগতিকরাই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা এ পর্যন্ত ১৭টি ওয়ানডের মধ্যে ১৪টিতেই জয়লাভ করেছে। এছাড়াও নিজেদের মাঠে শেষ ছয়টি ম্যাচেও বেশ বড় ব্যবধানেই জয়ী হয়েছে প্রোটিয়ারা।
তারপরেও টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত সাকিবকে ওয়ানডে দলে পেয়ে বাংলাদেশ আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। বৃহস্পতিবার অবশ্য ব্লোয়েমফনটেইনে অনুশীলন ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশের কাছে ৬ উইকেটে পরাজিত হয়েছে সফরকারী বাংলাদেশ। ম্যাচটিতে সাকিব সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এই সিরিজটি ২০১৯ বিশ্বকাপ প্রস্তুতির প্রথম ধাপ। ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে ডি ভিলিয়ার্সের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ফাফ ডু প্লেসিস। এছাড়া নতুন কোচ ওটিস গিবসনের অধীনে পুরো দলই নিজেদের এগিয়ে নেবার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান গিবসন জানিয়েছেন বিশ্বকাপের আগে দুই বছর বেশ কিছু খেলোয়াড়কে সুযোগ দিয়ে তাদের যথার্থতা যাচাই করা হবে। তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে একটি সেরা দলই তারা বিশ্বকাপের জন্য বাছাই করতে চায়।




