‘আক্রমণাত্মক’ করোনায় আক্রান্ত ৮০ হাজার, মৃত ২৬৯৯

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ ঘোষণা দেওয়া নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২ হাজার ৬৯৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে গোটা পৃথিবীতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ১৪৬ জন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে উদ্ধৃত করে ভাইরাসটির সর্বশেষ খবর ২৪ ঘণ্টা ধরে জানাচ্ছে https://systems.jhu.edu/ লাইভ ড্যাশবোর্ড। তাদের তথ্য মতে, যে হুবেই প্রদেশ থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে সেখানেই শুধু মারা গেছে ২ হাজার ৫৬৩ জন। সোমবার দেশটিতে একদিনে মারা গেছে ৭১ জন।
দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, সিঙ্গাপুরসহ এশিয়ার আরো কয়েকটি দেশে এই ভাইরাসটি মহামারি আকার ধারণ করার পথে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সোমবার বলা হয়েছে, ‘কোভিড-১৯ দিনে দিনে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। কিছু রোগীর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, তাদের মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে।’
করোনাভাইরাস শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সংক্রমণ। এই রোগের কোনো প্রতিষেধক এবং ভ্যাকসিন নেই। মৃতদের অধিকাংশই বয়স্ক যাদের আগে থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত জটিলতা ছিল।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।
এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। সাধারণ ফ্লুর মতোই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এ রোগের ভাইরাস।



