অল আউট হয়ে লজ্জার রেকর্ড শ্রীলঙ্কার

৩৫তম ওভারের মধ্যে অল আউট লজ্জার রেকর্ড গড়ল শ্রীলঙ্কা। পাল্লেকেলেতে আজ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে তারা মাত্র ১১৭ রান করে অল আউট হয়ে গেছে। জবাবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে করেছে ৬৬ রান, ২ উইকেটে।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সবচেয়ে দ্রুত অল আউট হওয়ার রেকর্ড গড়ল শ্রীলঙ্কা। এর আগে তাদেরই ছিল এই রেকর্ডটি। সেটি ছিল ৩৮.৪ ওভারের। সেটি হয়েছিল ২০০০-০১ সালে কেপ টাউনে।
মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। কিন্তু সফরকারীদের বোলিং তোপে মাত্র ৩৪.২ ওভারে ১১৭ রান সংগ্রহ করতেই স্বাগতিকদের ইনিংস গুটিয়ে যায়।
তবে ঘরের মাঠে এর চেয়ে ছোট ইনিংসও খেলেছিল লঙ্কানরা। ২০০৬ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে ক্যান্ডিতে ২৪.৫ ওভারেই অল আউট হয়েছিল। সেবার তারা করেছিল মাত্র ৭৩ রান।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এদিন প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেউই ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। চান্দিমাল ও ম্যাথুস ১৫ রান করে আউট হয়েছেন। আর প্রথম তিন ব্যাটসম্যান করুনারত্নে ৫ রান, কৌশল সিলভা ৪ রান ও কুসল মেন্ডিজ ৮ রানে সাজঘরে ফিরেছেন।
এর আগেও টপ অর্ডারের পাঁচজন ব্যাটসম্যানই ১৫ বা তার চেয়ে কম রানে আউট হওয়ার রেকর্ড ছিল শ্রীলঙ্কার। সেটি ২০০৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে কলম্বোতে হয়েছিল।
এই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার দু’জন ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছে। ব্যাটসম্যান ধনঞ্জয় ও স্পিনার সান্ডাকান টেস্ট ক্যাপ পরেছেন। সর্বশেষ ২০০৩ সালে একই টেস্টে শ্রীলঙ্কার দুই ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছিল। তারা ছিলেন লুকারাচ্চি ও নিসানকা।
এই ম্যাচে অভিষিক্ত দুই ক্রিকেটারই তুলনামূলক ভালো ব্যাট করেছেন। ব্যাটসম্যান ধনঞ্জয় ছয় নম্বরে ক্রিজে এসে ২৪ রান করে আউট হয়েছেন। এটি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। আর সান্ডাকান ১৯ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ২০ রান করেছেন কুসল পেরেরা।
শ্রীলঙ্কার অল আউট হওয়ার রেকর্ডের দিন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বোলার মিশেল স্টার্ক। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ২০০ উইকেট শিকারীদের তালিকায় নাম লেখালেন তিনি।
অসি বোলারদের মধ্যে তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন হ্যাজেলউড ও লিয়ন। আর দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন স্টার্ক ও স্টিভ ও’কীফি। মোট চার জন বোলারই এই ইনিংসে বল করেছেন।
এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৬ টেস্ট খেলে মাত্র একবার জিতেছে শ্রীলঙ্কা। সেটি ১৯৯৯ সালে ক্যান্ডিতে। বাকি ম্যাচগুলোর ১৭ টিতে হেরেছে। আর ৮টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।




