অবশেষে নলছিটির সেই শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলী

মো.শাহাদাত হোসেন মনু,ঝালকাঠি প্রতিনিধি : অবশেষে বদলী করা হয়েছে বিতর্কিত ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.রুহুল আমিনকে। ১৩ জুলাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস
আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে আরও জানানো হয় ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে বদলীকৃত ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় যোগদান না করিলে ১৮ জুলাই সে ষ্টান্ড রিলিজ বলে গন্য হবে।
তিনি ২০২০ সালের আগষ্টের ২৩ তারিখ নলছিটি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে অফিস খরচ দেখিয়ে শিক্ষকদের নিকট হতে টাকা আদায়। ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানের নামে ১১৫টি স্কুল থেকে দুইশত টাকা করে আদায়। প্রতিবছর প্রতি বিদ্যালয়ের সরকারি
বরাদ্দকৃত স্লিপ ফান্ডের ২৫ হাজার টাকা অনুমোদনের জন্য অফিস খরচ বাবদ ৬ শত টাকা করে আদায়। ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ প্রতি স্কুল থেকে ৫/১০হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়। স্কুল বাউন্ডারি বরাদ্ধ এনে দেয়ার নামে ১৫/২০ হাজার টাকা চুক্তিতে নেয়া । যারা টাকা দেয় তাদের সুপারিশ করাসহ ২০২৩ সালে ৫৫ জন নবনিযুক্ত শিক্ষকের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে আদায় করা সহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন এই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো.রুহুল আমিন।
এয়াড়াও শ্রান্তি বিনোদন ভাতা যারা পান, সেই সকল শিক্ষকদের নিকট হতে ৫শত টাকা করে আদায় করেছেন। শিক্ষা অফিসের বাৎসরিক অফিস কনটিজেন্সি যথাযথভাবে খরচ না করে আত্মসাৎ করেন। উপজেলা আন্তঃক্রীড়া বরাদ্দ ১৬হাজার টাকা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বরাদ্দ ৪হাজার টাকা শিক্ষা অফিসার উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। শিক্ষা অফিসারের দাবিকৃত টাকা বিভিন্ন সময় না দেয়ায় মালোয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মলিনা রানি গোস্বামী ও পূর্বচরকয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্লিপের টাকা আটকিয়ে রাখা হয়েছে বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
শিক্ষকদের অনলাইন বদলীতে অনিয়মসহ নানান বিষয় নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে ভুক্তভোগীরা একাধিক অভিযোগ করেছেন যেগুলো এখন তদন্তাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে শিক্ষা কর্মকর্তা মো.রুহুল আমিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।



