
বিশ্ব ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেকায়েপ প্রকল্পের অধীনে ৩ বছর মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের নিয়োগ স্থায়ীকরণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ এটিসি অ্যাসোসিয়েশন।
মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ৩য় দিনের মতো এই কর্মসূচি শুরু হয়।
জানা গেছে, ২০১৫ সালে শুরু হওয়া সেকায়েপ কর্মসূচিতে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ৩ বছর মেয়াদে ২৫০ টি উপজেলায় ২১০০ টি প্রতিষ্ঠানে ৫২০০ জন অতিরিক্ত শ্রেণী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এই নিয়োগ ২০১৭ সালে ৩১ ডিসেম্বর শেষ হলে তাদের বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে যায়।
ফরিদপুরের একটি স্কুলের শিক্ষক ওসমান গনি পূর্বপশ্চিমকে বলেন, নিয়োগের সময় আমাদের বলা হয়েছিলো সেকায়েপ প্রকল্প শেষ হলে নতুন প্রকল্প অথবা এমপিও মাধ্যমে আমাদের নিয়োগ দেয়া হবে। সেখানে ২০১৭’র ডিসেম্বরের পর থেকে আমরা কোন বেতন ভাতা পাইনি।
সেকায়েপের শিক্ষকদের কারণে স্কুলগুলোতে পাশের হার বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে ওসমান বলেন, দু’বছর ধরে বেতন বন্ধ থাকায় আমাদের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। তাই আমরা আন্দোলনে এসেছি।
অবিলম্বে নিয়োগ স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ এসিটি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন পূর্বপশ্চিমকে বলেন, সেকায়েপভুক্ত শিক্ষকদের কারণে স্কুলগুলোর শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে সেসব কথা মন্ত্রনালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাই স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, বয়স ও অভিজ্ঞতার বিবেচনায় বিনাশর্তে চাকরি স্থায়ী করণের দাবি জানিয়েছি। নাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।
তবে এবিষয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রীর কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পূর্বপশ্চিম ।




