বিড়ালের বৃদ্ধাশ্রম

করোনায় কিছু মানুষের মৃত্যু ওদের এক অর্থে এতিমই করেছে। যারা আদর করে ঘরে রেখেছিল, করোনা তাদের কেড়ে নেওয়ায় স্পেনের বয়স্ক এই বিড়ালদের এখন অসহায় অবস্থা। এখন তারা আছে আলেক্স সালভাদর নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে। যেটাকে তিনি বলছেন ‘বিড়ালদের বৃদ্ধাশ্রম’।
তবে সব বিড়ালকে আশ্রয় দেওয়া আলেক্সের পক্ষে অসম্ভব। তাই ওদের যাতে কেউ পোষ্য নেয় এ আবেদন জানিয়ে অনলাইন ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। আলেক্স বিভিন্ন বিড়ালকে মডেল বানিয়ে স্মার্টফোনে ভিডিও করছেন। সেই ভিডিও প্রচারও করছেন, চাইছেন সহায়তাও।
আলেক্স সালভাদর জানান, আশ্রয়কেন্দ্রের বিড়ালগুলোর বেশিরভাগেরই বয়স বেশি, শারীরিক অবস্থাও খারাপ। তাদের মালিকরা মৃত্যুর আগে অনেক দিন ওদের পশু চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাননি। ফলে এখন ওদের নিলে চিকিৎসার জন্যও অনেক টাকা খরচ করতে হবে।
তবে আলেক্স একা নন এখন। তাকে সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছেন অনেকে। আন্দ্রেয়াস শাডলার তাদের একজন। করোনার কারণে দীর্ঘদিন হোম অফিস করেছেন তিনি। অবসর সময়ে বাইরে যাওয়ার জন্য মন খুব টানে। তাই বিড়ালের আশ্রয়কেন্দ্রটিতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ শুরু করেছেন তিনি।
তিনি জানান, বিড়ালদের আশ্রয়কেন্দ্র সব সময় খুব পরিষ্কার রাখতে হয়। তাই তাদের পরিশ্রমও করতে হয় বেশ। তবে কিছু প্রাণীর সেবা করার সুযোগ পেয়ে তিনি গর্বিত বলে জানান।
এর আগে গত বছর ডিসেম্বরের দিকে ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের এক দম্পতির বিড়াল প্রেমের কথা আলোচিত হয় বিশ্বজুড়ে। নিজ বাড়িতে রাস্তার অসুস্থ বিড়ালের জন্য একটি এতিমখানা খুলে আলোচনায় আসেন তারা। দিতা আগুস্তা ও তার স্বামী মোহামাদ লুতফি অবশ্য ২০১৫ সাল থেকে এতিমখানাটি চালু করেন। বর্তমানে তাদের বাড়িতে আছে ২৫০টির বেশি বিড়াল। বাড়ির সব জায়গায়ই বিড়ালের ছড়াছড়ি। সুত্র : দেশ রূপান্তর

Check Also

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অচেতন করে কৃষি ব্যাংক লুটের চেষ্টা

কুমিল্লার চান্দিনায় কৃষি ব্যাংকের একটি শাখার চারজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অচেতন করে ব্যাংকটি লুটের চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। …