দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেখল দ. কোরিয়া
করোনাভাইরাস মহামারি কাটিয়ে ওঠার পথে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ায় ফের আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। সবশেষ চব্বিশ ঘণ্টায় দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেখল দেশটি।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৭৯ জনের শরীরে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা ৫ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। নতুন আক্রান্তসহ দেশটিতে মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৪৪ জন।
বেশ কিছুদিন ধরে কোরোনাভাইরাস পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল দক্ষিণ কোরিয়ায়। স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে শুরু করেছিল দেশটির জনসাধারণ। স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। লকডাউন ও সামাজিক দূরত্বের মতো বিষয়গুলো শিথিল করা হয়েছে। অনুমতি দেওয়া হয় ফুটবল, বেসবলের মতো পেশাদারি খেলাগুলো চালুর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
নতুন আক্রান্তদের অধিকাংশই পশ্চিম সিউলের। কোরিয়া সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানিয়েছে, চুপাং নামের একটি ই-কমার্স ফার্ম করোনার ‘ক্লাস্টার’ সংক্রমণস্থলে পরিণত হয়েছে।
কোরিয়ার স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কিম গ্যাং-লিপ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ওই বিল্ডিংয়ে যাতায়াত আছে এমন প্রায় ৪ হাজার ১০০ কর্মী ও দর্শনার্থীকে সেলফ আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
করোনা মহামারি মোকাবিলায় অনেকটাই সফল দক্ষিণ কোরিয়া। বর্তমান পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় ধাপের সংক্রমণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিস্থিতি যাতে ফের ভয়াবহ হয়ে না ওঠে সে জন্য সিউলে বৃহস্পতিবার নতুন করে সামাজিক দূরত্ব মানার নির্দেশনা বহাল করা হয়েছে। মেট্রোপলিটন এলাকায় জাদুঘর, আর্ট গ্যালারিগুলো দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।



