ষোলতে তেরো আনাই দখলে আফ্রিকানদের
‘ভাগ্যিস দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো মানের কোনো স্পিন কোচ ছিলো না। তাহলে তো আমাদের স্পিন কোচটাও আফ্রিকারই হতো।’ গতকাল শনিবার রাসেল ক্রেইগ ডমিঙ্গোকে হেড কোচ ঘোষণা করার পর অনেকেই ঠাট্টার ছলে এমন কথা বলেছেন। ঠাট্টার ছলে বললেও তা কিন্তু ফেলে দেয়ার মতো কিছু নয়।
কারণ বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ ডেনিয়েল ভেট্রোরি ছাড়া যে বাকি চারজনই কোচই এখন দক্ষিণ আফ্রিকার।
আগে থেকেই ছিলেন ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি আর ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক। গত মাসের শেষের দিকে সেখানে যুক্ত হয়েছে ফার্স্ট বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ড। ক্যারিবীয় কোচ কোর্টনি ওয়ালশের স্থালাভিষিক্ত করা হয়েছে সাবেক এই প্রোটিয়া বোলারকে। আর হেডকোচ হিসেবে সর্বশেষ যুক্ত হলেন রাসেল ডমিঙ্গো। আর তাই বলাই যায়, বাংলাদেশ কোচিং স্টাফ এখন প্রোটিয়াময়।
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর নির্ধারিত চুক্তির আগেই বাদ দেয়া হয় ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসকে। তার জায়গায় একজন বিশ্বমানের কোচ খুঁজছিল বোর্ড। এজন্য হাই প্রোফাইল অনেকে আগ্রহও দেখিয়েছিলেন। সেখানে বিসিবির পছন্দের তালিকার উপরে ছিলেন মাইক হেসন। কিন্তু বাগড়া বাধে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাই বিসিবিও অপেক্ষা বাড়ায় হেড কোচ ইস্যুতে।
শেষ পর্যন্ত ভারতে হেসনের জায়গা না হলেও আর আগায়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। এজন্য দায়ী ছিল মোটা অঙ্কের অর্থ। কারণ সাকিবদের কোচ হতে হেসন চেয়েছিলেন মাসিক ৩০ হাজার ডলার। এছাড়াও ছিল লাগামহীন ছুটির হিসাব। আর তাই ডমিঙ্গোকেই আগামী দুই বছরের জন্য হেড কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়।
টানা ব্যর্থতার পর অনেকটা সমালোচনার মুখে টাইগার ক্রিকেট। বাজে ফলাফলের জন্য একেকজন একেক রকম কারণকে দায়ী করছেন। আর তাই স্বভাবতই দারুণ চাপে আছে ক্রিকেটার থেকে শুরু করে বোর্ড কর্তারাও। তাই এখন দে




