অপরাধ

সাফাতের কথাবার্তায় বিব্রত গোয়েন্দারা!

ডেস্ক রিপোর্ট: বনানীর ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামী সাফাত আহমেদের কথাবার্তায় গোয়েন্দারা বিব্রতবোধ করছেন বলে জানা যাচ্ছে। জানা গেছে, সাফাত অকপটে শারীরিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি প্রশ্ন করেছেন যে, পারস্পরিক সম্মতিতে সম্পর্ক গড়লে সেটা নির্যাতন হয় কী করে।
সাফাত গোয়েন্দাদের কাছে বলেছেন, তিনি এবং তার বন্ধুরা মিলে ঢাকার অভিজাত এলাকায় নানা পার্টি করেন এবং সেখানে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে অনেকেই অনেকের সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্ক গড়ে তুলেন। সেখানে কারা থাকে, এমন প্রশ্নের উত্তরে সাফাত এমন অনেকের নাম বলেছেন, যাদের নাম শুনে বিব্রতবোধ করেছেন গোয়েন্দারা।
ঢাকার প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, যে দুজন নারী সাফাত ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন, সেই নারীরা মূলত পারস্পরিক সম্মতিতেই সাফাতের সঙ্গে সম্পর্ক করেছেন। এমন দাবি সাফাতের।
সাফাত বলেছেন, তাদের গ্রুপে অন্তত ২০ জন বন্ধু আছেন। যারা বিভিন্ন হোটেলে রাতভর নিয়মিত পার্টি করেন। সে সব পার্টিতে দেশের শীর্ষ নারী মডেলরা এবং তাদের বান্ধবীরাও অংশগ্রহণ করেন। তারা স্বেচ্ছায়ই পার্টিতে আসেন বলে দাবি করেন সাফাত। তিনি জানান, তাদের সঙ্গে থাকেন এমপি, মন্ত্রী ও অনেক ব্যবসায়ীদের সন্তানরা।
সাফাত গোয়েন্দাদের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, তাদের এ ধরনের পার্টি গত কয়েক বছর ধরেই চলছে। সেখানে যারা আসে, অবাধ শারীরিক সম্পর্কে তাদের সম্মতি থাকে। যাদের ভালো লাগে না, তারা কোনো কোনো পার্টিতে আসে না। এ নিয়ে কারো আপত্তি থাকে না।
গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে সাফাত অভিযোগকারী দুই নারীর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক সম্মতির ভিত্তিতেই হয়েছে বলে দাবি করেন এবং সম্মতির ভিত্তিতে শারীরিক সম্পর্ক কিভাবে ধর্ষণ হয়, এমন প্রশ্ন করেন তিনি।
সাফাত তার ও তার বন্ধুদের জীবন- যাপন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন গোয়েন্দাদের সঙ্গে। তার কথাবার্তায় সাবধানী মনোভাব দেখা গেলেও সব কথা খুলে বলেছেন তিনি। এ সময় তিনি তার বাবা দিলদার আহমেদের ব্যবসার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button