বিএনপির প্রস্তাব নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই : প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠন নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রস্তাবের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার বিকাল ৪টায় হাঙ্গেরি সফর নিয়ে গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওনি যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা ঠিক আছে। ওনি ওনার প্রস্তাব রাষ্ট্রপতিকে বলুক। কী পদক্ষেপ নিতে হবে তা রাষ্ট্রপতিই ভালো বুঝবেন। রাষ্ট্রপতি যে পদক্ষেপ নেবেন সেটাই হবে। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই।
তবে প্রস্তাব দেয়ার আগে খালেদা জিয়াকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তারা ক্ষমতায় আসতে না পেরে কতো মানুষকে যে পুড়িয়ে মেরেছেন তার হিসেব নেই। সাধারণ মানুষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও শ্রমজীবী মানুষ, সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। আগে ওনাকে এই হিসাবটা দিতে হবে। তারপর প্রস্তাবের ব্যাপারে দেখা হবে।
এছাড়া হাঙ্গেরি সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীর বিমানের জরুরি অবতরণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি হতেই পারে। আল্লাহর রহমতে সহি-সালামতে ফিরে এসেছি, এটাই বড় কথা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবার কাছে দোয়া প্রার্থণা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনা যে কোনোভাবেই হতে পারে। যান্ত্রিক কারনে আবার মনুষ্য সৃষ্টি। তবে দুর্ঘটনা ঘটা স্বাভাবিক। এটা নিয়ে এতো চিন্তার কিছু নেই।
তিনি বলেন, আমার বাবা-মাকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমিও ঝুঁকির মধ্যে আছি। এভাবেই আমি চলতে থাকবো। ঝুঁকি নিয়েই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাবো।
এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা বিমান কেনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য আলাদা বিমান কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। হলে এটা হবে বিলাসিতা। আমি সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করি, তাদের মতো করেই চলতে চাই।



