রোহিঙ্গা নির্যাতন: প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থান সুচির

রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী-পুলিশ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের দ্বারা প্রতিনিয়ত নির্যাতিত হয়ে চলেছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান। কিন্তু এ বিষয়ে এতোদিন টু শব্দটি করেননি দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান শান্তিতে নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সুচি। বুধবার সিঙ্গাপুরে একটি ব্যবসায়িক ফোরামে রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যু নিয়ে কিছু কথা বলেছেন সুচি। তবে এই বক্তব্যে কিছুই পরিস্কার করেননি তিনি। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলতে বেশ কৌশল অবলম্বন করেছেন তিনি।
সিঙ্গাপুরে সুচি বলেছেন, ‘আমাদের দেশ বর্তমানে বহু প্রতিকূলতার সম্মুখীন। আমাদের রয়েছে বহু নৃতাত্বিক সম্প্রদায়। দেশের স্থিতিশীলতা ও আইন রক্ষায় কাজ করা প্রয়োজন।‘ এ সময় সুচি উল্লেখ করেন তিনি শান্তি ও জাতীয়ভাবে সমঝোতার জন্য কাজ করবেন। কিন্তু রোহিঙ্গা নির্যাতন বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিস্কার করেননি।
এদিকে রোহিঙ্গা নির্যাতন বিষয়ে সুচির এই নীরবতার সমালোচনা হচ্ছে সর্বত্র। গণতন্ত্রের জন্য জীবনের বেশিরভাগ সময় বিপ্লব করা এই নেত্রীর কাছে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের রাস্তা খুঁজছিল অনেকে।
রোহিঙ্গাদের পর চলমান সহিংসার মধ্যেই জাতিসংঘ জানিয়েছে, রাখাইন থেকে ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের বেশির ভাগই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশর চেষ্টা চালাচ্ছে।
জাতিসংঘের হিসাব মতে, গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছেন, রাখাইনে রোহিঙ্গা সম্পদ্রায়ের উপর গণহারে হত্যা ও ধর্ষনের মতো অপরাধ চালানো হচ্ছে প্রতিনিয়ত।




