পদ্মা সেতু নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট

পদ্মা সেতু নিয়ে সংবাদিকের একটি প্রশ্ন অনেকটা এড়িয়ে গেলেন ঢাকা সফররত বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট কিম।
আজ সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে একজন সাংবাদিক বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করেন- পদ্মা সেতুর সাথে শুরুতে বিশ্বব্যাংক জড়িত ছিল। এখন নেই। এ বিষয়ে তার অনুভূতি কী। এ বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট বলেন, এ সেতুর গুরুত্ব আমরা বুঝি। আমরা এটি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম; কিন্তু সরকার এটির কাজ শুরু করে দেয়। যা হোক বাংলাদেশের সমৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উন্নতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য আমরা খুবই জোরালোভাবে উপায় খুঁজছি। আমরা দেখছি কিভাবে বাংলাদেশে আরো বেশি অর্থায়ন করা যায়। এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে।
২৯১ কোটি ডলারে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণে ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল বিশ্ব ব্যাংকের। তবে প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে তারা অর্থায়ন স্থগিত করে দেয়। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ২০১১ সালে বিশ্বব্যাংকের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
দীর্ঘ টানাপড়েন শেষে ২০১৩ সালের শুরুতে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংককে ‘না’ বলে দেয়। বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে ও চীনের কারিগরি সহায়তায় নকশা অপরিবর্তিত রেখে নিজস্ব অর্থায়নেই এখন পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে।




