
স্বীকৃতি বিশ্বাস,যশোর: মুক্তেশ্বরী নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, উজানে নদী সংযোগ ও দখলদারদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদানের দাবীতে মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলনের পক্ষ থেকে মুক্তেশ্বরী থেকে ভৈরব পর্যন্ত অর্থাৎ পুলের হাট থেকে দড়াটানা পর্যন্ত এক পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকালে পদযাত্রাকারীরা মুক্তেশ্বরী থেকে ভৈরব পর্যন্ত অর্থাৎ পুলের হাট থেকে দড়াটানা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন
পুলের হাটে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব রাশেদ খান, জিল্লুর রহমান ভিটু ও বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ।
পুলেরহাট সমাবেশে বক্তারা বলেন, শুধু চাঁচড়া ইউনিয়নেই মুক্তেশ্বরী দখল করেছে ২০ জন প্রভাবশালী। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের হাসপাতাল বিল্ডিং পুরোটাই নদীর জমিতে। এই নদী দখলের কারনে যেমন কয়েক বছর ধরে হরিনার বিল জলাবদ্ধ হয়ে ফসল হচ্ছেনা তেমনি এড়োলের বিলসহ যশোর শহর ও ক্যান্টমেন্টের কিছু অংশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে ।ভৈরব নদী খনন কার্যকর হতে হলে উজানে মাথাভাঙ্গার সাথে সংযোগ দিতে হবে, এ জন্য সরকারের কাছে ভৈরবের উজানে সংযোগের দাবী জানানো হয়।
আন্দোলনের আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাস পদযাত্রার ঘোষনা দিয়ে পদযাত্রা শুরু করেন।
যশোর শহরের দড়াটানায় মুক্তেশ্বরী আন্দোলনের আহ্বায়ক অনিল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও জিল্লুর রহমান ভিটুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ভবদহ আন্দোলনের আহ্বায়ক অনীল বিশ্বাস, উদীচীর সভাপতি এ্যাডঃ আমিনুর রহমান হিরু, যশোর ইন্সটিটিউটের সহ-সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ মাহমুদ হাসান বুলু,ভৈরব নদ রক্ষা আন্দোলনের নেতা হাসিনুর রহমান, এ্যাডঃ আবুল কায়েস, মুক্তেশ্বরী বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব রাশেদ খান।
বক্তারা বলে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় মুক্তেশ্বরীর পানি নিষ্কাসনের জন্য একটব অংশ খনন করা হয় যা জিয়া খাল নামে পরিচিত। কিছু দখলবাজ সেই খালের জমি দখল করেছে আর একদল মুক্তেশ্বরীর একটা অংশ দখল করে প্লট হিসাবে বিক্রয় করা উদ্যোগ নিয়েছিলো সম্প্রতি সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন প্রয়োজন দ্রুত নদী খনন ও দখলদারদের আইনের আওতায় এনে অবশ্যই শাস্তি প্রদান করা।


