
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: যুগের সাথে তাল মিলিয়ে রদবদল হলেও মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বাহিরচর বাজার সংলগ্ন (ইছামতী নদীর উপর অবস্থিত) ঝুকিপূর্ণ কাঠের সাকুর বেহাল দশা -যাতায়াতে চরম দূর্ভোগ।
সরেজমিনে তদারকি করে দেখা যায়, উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাহিরচর বাজার সংলগ্ন (ইছামতী নদীর ওপর অবস্থিত) ঝুকিপূর্ণ কাঠের সাকোর বেহাল দশা, যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বর্তমানে জনচলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য,বাহিরচর (দক্ষিণ),বকচর, জগনাথপুর, আলগীরচর ৪টি গ্রামের সাধারণ অধিবাসীদের জনচলাচলের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে এই কাঠের সাকো ব্যবহার করে।
কাঠের পুলটির উপরের অংশ (কাঠের ছাউনি ও রেলিং) ভেঙ্গে গেছে। সে কারণে এটা জনচলাচলের এবং যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য স্থানীয় ভুক্তভোগীদের।
বিষয়টি নিয়ে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি মোঃ শাহজাহান জানান, ইছামতী নদীর উপর অবস্থিত ঝুকিপূর্ণ কাঠের ব্রীজের বেহাল দশা। বর্তমানে এটা সংস্কার অতি জরুরি বলে মনে করছি।
এ ব্যাপারে দক্ষিন চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মৃধা আরো জানান, স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, হ্যালোবাইক ও অটোরিকশা সহ হাজারো মানুষ প্রতিনিয়ত এই কাঠের ব্রীজের মাধ্যমে যাতায়াত করে থাকে। বর্ষার মৌসুমে চলাচলের জন্য (কাঠের সাকো) ব্যতিত অন্য কোন চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা নেই।
বর্তমানে জনচলাচলের জন্য ব্রীজটি অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং ব্রীজের মেরামত অতি জরুরি।
আমি ও এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগে একটি লিখিত আবেদন কর্তপক্ষ বরাবর জানিয়েছি।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের জোরদার দাবি,যুগের সাথে তাল মিলিয়ে রদবদল হলেও ইছামতী নদীর উপর অবস্থিত ঝুকিপূর্ণ কাঠের ব্রীজের এখনো কোন পরিবর্তন হয়নি। ব্রীজের মেরামত সহ সম্ভব হলে এখানে উন্নতমানের ব্রীজ নির্মাণ করার দাবি তুলে ধরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ওপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করীম জানান, এ বিষয়ে আমি অবগত আছি এবং আমার বরাবর একটি ব্রীজের মেরামতের অনুদানের জন্য আবেদন করা হয়েছে।বর্তমানে আমাদের দপ্তরে কোন বাজেট নেই।এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।




