
রতন ঘোষ, কটিয়াদী প্রতিনিধি: কটিয়াদী মডেল থানার ওসি, পরিদর্শক তদন্ত, এস আই ও এ এস আই সহ সাত কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। শুক্রবার ৩ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন বদলির লিখিত এই আদেশ প্রদান করেন।
কটিয়াদী থানা থেকে ওসি মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানকে নিকলি থানায়, পরিদর্শক(তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খানকে কিশোরগঞ্জ সদর থানায়, উপপরিদর্শক এসআই মোঃ মাজেদুর রহমানকে করিমগঞ্জ থানায়, উপ পরিদর্শক এস আই সাইদুল ইসলামকে ইটনা থানায়, উপ-পরিদর্শক এস আই মাসুদ রানা কে মিঠামইন থানায়, সহকারী উপ-পরিদর্শক এএসআই শহীদুজ্জামানকে ইটনা থানায় ও সহকারি-উপ পরিদর্শক এএসআই মোস্তাক হোসেনকে অষ্টগ্রাম থানায় বদলি করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মাহমুদুল ইসলাম তালুকদার জানান, কর্তব্য কাজে গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে কোটিয়াদি মডেল থানায় যেসব অফিসার দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত ছিলেন তাদের অন্যত্র বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে তাদের বিরুদ্ধে মাদকবিরোধী অভিযানে ব্যর্থতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ জালাল উদ্দিনের এ সংক্রান্ত সুপারিশ ও বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতার অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও কটিয়াদী থানার পুলিশের কাছে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের জন্য বারবার দাবি করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে সোমবার ৩০ মার্চ লোহাজুরি ইউনিয়নের শতাধিক বিক্ষুব্ধ ছাত্র যুবক, মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ সময় ছাত্র জনতা বাদল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে চারশত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক করে পুলিশে সুপর্দ করে।
অপরদিকে কটিয়াদী মডেল থানায় নবাগত ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ৪ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় যোগদান করেই অদ্য ৫ এপ্রিল রবিবার দুপুরেই লোহাজুরি থেকে ৭৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক সম্রাট লিটন (৩৫)সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
ওসি রফিকুল ইসলাম উপস্থিত জনতাকে বলেন, যতদিন পর্যন্ত লিটন সংশোধন না হবে ততদিন পর্যন্ত জেল হাজত থেকে বেরিয়ে আসার সাথে সাথে আবার তাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হবে। যারা মাদকের কাজ কাম করেন তারা এখন থেকেই সাবধান হয়ে যান। আমি যতদিন কটিয়াদীতে থাকবো মাদক ও ততদিন হারাম থাকবে।



