বিবিধশিরোনাম

বিশ্ব প্রবীণ দিবসের পাঁচালি

: সুরুয খান :
১ অক্টোবর, শনিবার পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব প্রবীণ দিবস’. এবারের প্রবীণ দিবস পালিত হচ্ছে ‘বয়স বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান’ এই স্লোগানে। প্রবীণদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যের বিষয়ে বিশ^ব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৯৯১ সাল থেকে দিবসটি পালন শুরু হয়।
বার্ধক্য বিষয়ে একটা গল্প দিয়ে শুরু করি। স্ত্রী স্বামীকে বলছে, তুমি তোমার বৃদ্ধা মাকে নিয়ে এতো ভাবছো কেন?
স্বামী : আমার মা-বাবা আমাকে অনেক কষ্ট করে বড় করেছে। আমি মাকে নিয়ে না ভাবলে কে ভাববে?
স্ত্রী : তোমার আরও ভাই আছে, তারা দেখবে।
স্বামী : তাদের স্ত্রীরাও যদি তোমার মত বলে তবে আমাদের বৃদ্ধা মাকে কে দেখবে?
স্ত্রী নাছোড়বান্দা। সে সাফ জানায়, আমি তোমার মা-র জন্য খাটতে পারবো না। তোমাকে এজন্য কোন খরচও করতে দেবো না।
স্বামী : তাহলে আমি আজ থেকে আমার মায়ের পায়ের নিচে ঘুমাবো। তোমার পাশে ঘুমানোর চেয়ে মায়ের পায়ের নিচে ঘুমানো অনেক শান্তি।
স্ত্রী : (রাগান্বিত হয়ে) তুমি আমাকে একটুও ভালোবাসো না! আচ্ছা, তুমি আমাকে না তোমার মাকে বেশি ভালোবাসো?
স্বামী : দু’জনকেই আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি।
স্ত্রী : কাকে বেশি? ধর, আমি আর তোমার মা একটা বিপদে পড়েছি। যে কোন একজনকে বাঁচাতে পারবে। তুমি কাকে বাঁচাবে?
স্বামী : আমার মাকে বাঁচিয়ে তোমাকে জড়িয়ে ধরে তোমার সাথে মরে যাব।
স্ত্রী তার ভুল বুঝতে পেরে কাঁদতে শুরু করে দেয়।
স্বামী : ধরো আমি মারা গেলাম আর তুমি বৃদ্ধ হয়ে গেলে। আর তখন আমাদের ছেলে যদি তার স্ত্রীর কথা শুনে তোমাকে দেখাশোনা না করে বৃদ্ধ আশ্রমে দিয়ে আসে তখন তোমার কতটা কষ্ট লাগবে?
স্ত্রী তার সকল ভুল বুঝতে পেরে শ্বাশুরীকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে শুরু করলো।
গল্পের শেষটা ভালো হলেও আমাদের বাস্তব সমাজ জীবনে এরকম ক্ষেত্রে শেষটা খু’ব সুখকর দেখা যায় না। বাংলাদেশে প্রবীণদের একটা বড় অংশ নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। প্রবীণদের সুরক্ষার জন্য এদেশে একটি আইন থাকলেও বেশিরভাগ মানুষ সে সম্পর্কে কিছুই জানে না।
এমনই প্রেক্ষাপটে দেশে আজ পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব প্রবীণ দিবস’. প্রবীণদের নিয়ে কাজ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল এর কান্ট্রি ডিরেক্টর নির্ঝরিণী হাসান সম্প্রতি বিবিসি-কে বলেন, দেশে বিভিন্নভাবে প্রবীণ নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, অবহেলা তো আছেই, সেই সাথে শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার হন অনেক প্রবীণ। এর মধ্যে মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বেশি।
তিনি জানান, তাদের এক জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশের শহরে বিশেষ করে নিম্ন মধ্যবিত্তদের মধ্যে ৮৮% বলেছেন যে তারা বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের দ্বারাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তারা। অনেকের আশ্রয় হচ্ছে বৃদ্ধ আশ্রমে।
হেল্প এজ এর জরিপ বলে, যৌথ পরিবার ভেঙ্গে একক পরিবার ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক অব্যবস্থা প্রবীণ নির্যাতনের অন্যতম কারণ।
পৃথিবীতে বর্তমানে সেকেন্ডে দুই প্রবীণ ৬০ বছরে পা রাখছে। অনুমান করা হয়, দেশে বর্তমানে ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষ বয়সে প্রবীণ। বিগত তিন-চার দশক ধরে বাংলাদেশের মানুষের সন্তান জন্মদানের হার ও শিশু মৃত্যুর হার ক্রমেই কমছে এবং গড় আয়ু বাড়ছে। ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০ দশমিক ৭ বছর। এর আগের বছর তা ছিল ৭০ দশমিক ৪ বছর। এতে দেশের মোট জনসংখ্যায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসংখ্যার প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ২০৫০ সালে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর এ হার হবে ২০ শতাংশ অর্থাৎ বাংলাদেশে প্রতি পাঁচ জন মানুষের মধ্যে এক জন হবেন প্রবীণ।
বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে এ প্রবীণদের একটা বড় অংশ আয়-রোজগারের কাজে নিয়োজিত নয়। ফলে প্রবীণ বয়সে পৌঁছে তারা পরিবার ও সমাজের বোঝায় পরিণত হচ্ছে। বোঝা হওয়ার মূল কারণ তাদের স্বাস্থ্যহীনতা ও উপার্জনহীনতা।
প্রবীণদের কেউ কেউ অতীত উপার্জনের সঞ্চিত সম্পদের ওপর নির্ভর করে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করছে। আবার কেউ কেউ পুত্র-পরিজনের ভরণপোষণের ওপর নির্ভরশীল। তবে এক্ষেত্রেও বেশির ভাগ পরিবারের সদস্যদের রয়েছে প্রবীণের কাছ থেকে প্রাপ্তি সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি। এ বিষয়ে একটি কৌতুক মনে পড়ে গেল।
এক বুড়ো ব্যক্তির কানে মারাত্মক রকমের সমস্যা দেখা দিলো। সে একেবারেই শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেললো। চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হলে তার কানে শ্রবণ যন্ত্র স্থাপন করা হলো যাতে শতভাগ কানে শোনা যায়।
বুড়ো একমাস পর আবার চিকিৎসকের কাছে এলে চিকিৎসক বললেন,“আপনার যন্ত্রটি ভালো কাজ করছে। কানে শুনতে পারায় আপনার পরিবারের সদস্যরা নিশ্চয়ই খুব খুশি।”
বুড়ো উত্তর দিলেন,“ওহ্ না, আমি এখনো পরিবারের সদস্যদেরকে কানে শুনতে পারার কথা বলি নি। আমি কেবল তাদের পাশে বসে নিজেদের মধ্যেকার কথোপকথন শুনেছি আর আমার উইল তিনবার পরিবর্তন করেছি!”
প্রবীণ ব্যক্তিদের প্রধান সমস্যাবলীর মধ্যে আরেকটি অন্যতম সমস্যা হলো স্বাস্থ্যগত সমস্যা। বয়স বাড়ার সাথে সাথে দেখা দিতে থাকে শারীরিক নানান জটিলতা। হারাতে থাকে কর্মক্ষমতা। মস্তিষ্কও হতে থাকে দুর্বল। অনেকেই আক্রান্ত হয় এ্যালজাইমারস রোগে। এই রোগে মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না। সবকিছু দ্রুত ভুলে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। জরিপ বলে, ৬৫ বছর বয়সী ৬৫ জনের মধ্যে এক জন এবং ৮৫ বছর বয়সীদের অর্ধেক মানুষই এ্যালজাইমারস রোগে ভোগে। এ সংক্রান্ত একটা কৌতুক আছে।
চিকিৎসক তার এক রোগীকে বলছেন,“আপনার জন্য ভালো ও মন্দ দু’টি খবর আছে।”
রোগী বললেন,“খারাপ খবরটিই আগে বলে ফেলুন ডাক্তার।”
চিকিৎসক : আপনার এ্যালজাইমারস রোগ হয়েছে।
রোগী : তো ভালো খবরটি কি?
চিকিৎসক : আপনি বাড়ি যেতে যেতে তা ভুলে যাবেন!
তবে সাম্প্রতিককালে গবেষণায় দেখা গেছে, বুড়োরা অসুখী। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রচলিত এমন ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। বরং এ বয়সে এসে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভঙ্গি তৈরি হয়। ফলে এ সময়টিতে তাদের মানসিক স্বাস্থ্য আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় থাকে।
জার্মানির হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানান, মোটামুটি ৫০ বছর বয়সই হলো বার্ধক্যের শুরু। এ সময় বা এর মাঝামঝিতে বেশির ভাগ মানুষ অবসরে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যারা জীবনের কর্মক্লান্তি ও স্বল্প বা বিনা পেনশনে হঠাৎ এ অবসর, সর্বোপরি বার্ধক্যÑসব মিলে এ মানুষদের অসুখী ভাবাটা অস্বাভাবিক নয়। তবে গবেষকদের সদস্য ড. রবার্ট ম্যাককেফরি জানান, পঞ্চাশে মানুষের বার্ধক্য ও নিজেকে সুখী ভাবার প্রবণতা শুরু হয়। ষাট ও সত্তরের কোটায় গিয়ে তা আরো বাড়ে। এ বয়সের মানুষের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, ‘আমি অনেক সুখী’, ‘আমি জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট’ বা ‘আমি অতিরিক্ত রকমের সুখী’. এ ধরনের বোধ মানুষ তার বার্ধক্যেই অনুভব করে। অপেক্ষাকৃত কম বয়সের মানুষদের মধ্যে এ ধরনের বোধ বা এর প্রকাশ একেবারেই দুর্লভ।
গবেষকরা জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, বার্ধক্যে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ভাবনার প্রবণতাও বাড়তে থাকে। ফলে সব কিছুকে ভালো চোখে দেখা ও সহজভাবে নেওয়ার ক্ষমতাও তাদের বাড়ে। এতে নিজের অবস্থান সম্পর্কেও তাদের মধ্যে সন্তুষ্টি কাজ করে। এ থেকে মানুষের মস্তিষ্কের কাজ করার ধরনের ওপর আরো তথ্য পাওয়া গেল। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আসলে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর ওপর শরীর-স্বাস্থ্য ও সুখী বা অসুখী হওয়া Ñঅনেক কিছুই নির্ভর করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইতিবাচকতার ওপর জোড় দেওয়া।
ঊনবিংশ শতাব্দীর পরিবেশ ও মানসিকতা, বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের পরিবেশ ও মানসিকতা অদ্যকার চিন্তায় ঐতিহ্যবাহী হলেও অচল। এ কালের মানুষের চিন্তার ঘূর্ণেপোকা দূর করতে যে চিন্তার সাহসিকতা প্রয়োজন, যে বিপ্লব দরকার, তরুণদের পাশাপাশি বয়স্কদের মধ্যেও সেই সাহসিকতা ও মানসিকতাই বর্তমান। আজ পৃথিবীর এই যুগ সন্ধিক্ষণে আপামর মানুষ যখন আর্ত পীড়িত, এমন কি তার অস্তিত্ব পর্যন্ত বিপন্ন হতে বসেছে, তখন মনুষ্যত্বের ধ্বজা ওড়ানো বা সাম্য ও শান্তির জয় পতাকাকে সগৌরবে ধারণ করে কোন অভিযানের কথা বয়স্করা আজ উপলব্ধি করছে।
বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, যারা পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ তাদের কেউ পাঁচ-দশ বছরের বেশি বাঁচবে না। তার অর্থ দাঁড়ায় পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কিন্তু বুড়োরাই! আজ লক্ষ্য করলে দেখা যায় পৃথিবী যারা চালাচ্ছেন তাদের অধিকাংশের বয়সই সত্তরের বেশি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সত্তরে পদার্পণ করেছেন। তিনি সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বুড়ো হয়ে গেছি সন্দেহ নেই, তবে পারি।
তবে সবকিছুর পরেও এটা ঠিক, আমাদের দেশে বয়স্ক মানুষের একটা বড় অংশ স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার কারণে চরমভাবে অবহেলার শিকার। এমনকি নির্যাতিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বিশেষ করে বর্তমানে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক নানা পরিবর্তনের ফলে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙ্গে যাওয়ায় প্রবীণেরা হারাচ্ছেন তাদের সহানুভ’তি, বাড়ছে অবহেলা আর তারা শিকার হচ্ছেন বঞ্চনার।
হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের পপুলেশন সাইন্স বিভাগের যৌথ এক গবেষণায় উত্তরদাতাদের মধ্যে ৮৮% মনে করেন তারা মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার। এর মধ্যে ৮৩.৩% মনে করেন যে তারা কোন না কোন ভাবে অবহেলার শিকার, ৫৪.৪% অর্থনৈতিক নির্যাতন এবং ৩৯.৬% হচ্ছেন শারীরিক নির্যাতনের শিকার যার মধ্যে ৫৪.৫% নারী প্রবীণ। এই গবেষণায় আরও পাওয়া যায় যে অধিকাংশ প্রবীণ এক সাথে একাধিক নির্যাতনেরও শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশে পুরুষ প্রবীণদের চেয়ে নারী প্রবীণরা অধিক নির্যাতনের শিকার বলে এই গবেষণা কর্ম ইঙ্গিত প্রদান করছে।
চীন সরকার মা-বাবা সহ বৃদ্ধ-স্বজনদের ব্যাপারে যথেষ্ট মূল্যায়ন করেছে। সে দেশের বৃদ্ধ মা-বাবা স্বজনদের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সাক্ষাৎ ও কুশল নিতে আইন করে বাধ্যতামূলক করেছে। চীনা পার্লামেন্ট এই আইন অনুমোদন করেছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই প্রবীণদের সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা রয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার প্রবীণ ব্যক্তিদের সমস্যাগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে আসছে। ১৯৯৮ সাল থেকে দেশের দরিদ্র প্রবীণদের জন্য সীমিত আকারে হলেও ‘বয়স্ক ভাতা’ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। সরকার অবসর প্রাপ্তদের পেনশন ব্যবস্থা সহজীকরণ ও সুবিধাদি বৃদ্ধি করেছে। প্রবীণদের অধিকারের বিষয়ে ২০১৩ সালে একটি নীতির অনুমোদন হয়। এছাড়া পিতা-মাতা ভরণ পোষণ আইনও হয় ২০১৩ সালেই। কিন্তু ছেলে-মেয়ের ওপর বাধ্যবাধকতা থাকলেও সাধারণতঃ সন্তানদের বিরুদ্ধে মা-বাবারা আইনের সাহায্য নিতে চান না। এছাড়া অধিকাংশ মানুষ এই আইন সম্পর্কে অবগতও নন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রবীণদের বৃহত্তর সার্থে, অর্থাৎ প্রবীণদের অধিকার, উন্নয়ন এবং সার্বিক কল্যাণের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মানুষের জীবনকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। শৈশব, কৈশোর, যৌবন, পৌরত্ব ও বার্ধক্য। জীবনের প্রথম ভাগ শৈশব এবং শেষ ভাগ বার্ধক্য। জীবনের শুরু আর শেষ অভিন্ন থাকুক। তার আলোয় দিগন্ত আলোময় হোক।
‘আয় আয় চাঁদ
চাঁদের কপালে চাঁদ
টিপ দিয়ে যা……’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button