
সাঈদ তারেক : সাংবাদিকতায় পঞ্চান্ন বছর পার হয়েছে। লেখালেখির বয়স আরও বেশী। সেই সাথে দেখাদেখিও কম না। পাকিস্তান আমলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অবারিত না থাকলেও যাদের লেখা দরকার, সরকারি বিধিনিষেধ মেনেও নিজেদের কথা লিখে যেতেন, যা বলার বলে যেতে পারতেন। এ সময় সাংবাদিকতা ছিল মূলত: বামপন্থী ভাবধারা প্রভাবিত। যারা আসতেন এ পেশায়, রুটী-রুজীর চাইতে রাজনৈতিক আদর্শ প্রচার এবং প্রতিষ্ঠাকে প্রাধান্য দিতেন। সরকার তা জানতো। ফলে মাঝেমাঝেই খড়গ নেমে আসতো। গ্রেপ্তার, মামলা বা কোন প্রকাশনায় সাময়িক বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী হতো। বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে কড়া সেন্সরশীপ মোকাবিলা করতে হতো পত্রপত্রিকাগুলোকে। সম্ভবত: প্রিন্টিং এ্যান্ড পাবলিকেশন্স এ্যাক্ট নামে একটা আইন তখন ছিল। এ আইনে শুধু পত্রপত্রিকা প্রকাশ না, একটা সাধারন ছাপাখানা বসাতেও সরকার থেকে বিশেষ অনুমতি নিতে হতো। ছাপার অক্ষরে কিছু প্রকাশের জন্যও সরকারি ছাড়পত্র নেয়া ছিল বাধ্যতামূলক।
মনে আছে ছোটবেলায় জামালপুরে একবার বন্ধু শাহনেওয়াজ আর আমি মিলে ছাপার অক্ষরে একটা সংকলন বের করেছিলাম। ‘নব জাগরন’। সে আমলে আমাদের মত ক্ষুদে লিখিয়েদের সাহিত্য চর্চার মাধ্যম ছিল হাতেলেখা দেয়াল পত্রিকা। ছাপার অক্ষরে কারও লেখা ছাপা হওয়া, তাও নিজের নামসহ- সে এক বিরাট ব্যপার। ছোট্ট মফস্বল শহর, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে কয়েক ফর্মার ওই ম্যাগাজিনটা আমরা বের করেছিলাম। কিন্তু দেখা গেল প্রকাশ হওয়ামাত্রই ডিবির লোক খোঁজ করছে! কিছুই না, বাচ্চাদের লেখা কিছু গল্প ছড়া কবিতা। তখনই জানা গেল ছাপার অক্ষরে কিছু প্রকাশ করতে চাইলে অনুমতি লাগবে। এই অনুমতি দেয় ডিসি। এখন তো এ্যরেস্ট হয়ে যাওয়ার অবস্থা! যাহোক আব্বা সরকারি চাকুরে, বলে কয়ে ম্যানেজ করলেন। পরদিন আমি আর শাহনেওয়াজ দুই বন্ধু মিলে দ্রুতযানে চেপে জামালপুর থেকে ময়মনসিংহ যাই। ডিসি অফিসে দরখাস্ত দিয়ে কি একটা রফা যেন করেছিলাম।
স্বাধীনতার পরও একই আইন বা এ ধরনের একটা আইন ছিল- যে কোন ধরনের প্রকাশনা নিয়ন্ত্রণের জন্য। তবে সদ্য স্বাধীন দেশ হিসাবে মানুষের আকাংখা ছিল অদম্য। মত প্রকাশের অধিকারটা তখন সেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় নাই। ছাপাখানা আইনের তোয়াক্কা না করে অনেক প্রেস বসেছে, ডিক্লিয়ারেশন ছাড়া পত্রপত্রিকাও বের হয়েছে। তবে ধীরে ধীরে সরকার এ সবের ওপর নিয়ন্ত্রন কায়েম করতে থাকে। একসময় মত প্রকাশের স্বাধীনতা চলে যায় এসবি আর ডিসি অফিসে। অর্থাৎ তারা অনুমতি দিলেই কেবল কেউ পত্রপত্রিকা বের হতে পারতো। এবং সে অনুমতি নিতে নানা কাঠখড় পোড়াতে হতো। তারপরও দেশে বেশ কয়েকটা দৈনিকসহ কিছু সাপ্তাহিক পাক্ষিক মাসিক পত্রিকা ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়েছে। স্রেফ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কেউ কেউ সংবাদপত্র বের করলেও অধিকাংশই ছিল কোন না কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রচারক। এসব কাগজে লেখালেখিও কম হতো না। তখনও কোন লেখা বা অভিমত সরকারের পছন্দ না হলে পুলিশি এ্যাকশন হতো, অর্থাৎ রাতের আঁধারে পুলিশ প্রেসে গিয়ে ম্যাটার ভেঙ্গে দিয়ে আসতো। ছাপাখানা সীলগালা করে দিতো। সাংবাদিককে গ্রেপ্তার মামলা বা হুলিয়া দিয়ে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ানো- এসব ঘটনাও ঘটতো। কিন্তু একটা অভিনব ঘটনা ঘটলো ১৯৭৫ সালের ১৬ই জুন।
একটা অধ্যাদেশবলে (এ্যানালমেন্ট অর্ডার) সরকার এদিন থেকে দেশের সকল পত্রপত্রিকার প্রকাশনা নিষিদ্ধ করে দেয়। সরকারি মালিকানায় থাকলো মাত্র চারটা দৈনিক পত্রিকাা। দৈনিক বাংলা এবং অবজার্ভার আগে থেকেই সরকারের ছিল। ইত্তেফাক মরহুম তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার দুই ছেলে ব্যরিস্টার মঈনুল হোসেন এবং আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর এবং টাইম্সয়ের মালিক ছিলেন যুবলীগ প্রধান বঙ্গবন্ধুর ভাগিনেয় শেখ ফজলুল হক মনি। এ দু’টি পত্রিকাকে অধিগ্রহন করে সরকারি মালিকানায় নেয়া হয়। এসব পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক এবং কর্মচারির চাকুরি বহাল থাকলো। এ ছাড়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা নামের সরকারি নিউজ এজেন্সিটাও চালু থাকলো। কিন্তু বেকার হয়ে গেল বন্ধ হয়ে যাওয়া বাদবাকি সকল পত্রপত্রিকার হাজার হাজার সাংবাদিক কর্মচারি প্রেস শ্রমিক। সেই সাথে রুদ্ধ হলো দেশে অবাধ মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
এই ব্যবস্থাটি নেয়া হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধান সংশোধন করে একদলীয় বাকশাল শাষন কায়েমের ধারাবাহিকতায়। জানা যায় এই আইডিয়াটা ছিল মূলত: সে সময় সরকারের সাথে গাঁটছড়াবাঁধা মষ্কোপন্থী দু’টি দলের। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরে এলে স্বাধীনতা আন্দোলন সংগঠক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বড় অংশ যুদ্ধোত্তর দেশ পুনর্গঠনে প্রথাগত সরকার ব্যবস্থায় না গিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহনকারি সকল রাজনৈতিক শক্তির সমন্বয়ে সাময়িককালের জন্য একটি অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার গঠনের দাবী তুলেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন সারা জীবন রাজনীতি করেছি সংসদীয় গনতন্ত্রের জন্য, এখন বিপ্লবী সরকার করলে গনতন্ত্র থাকবে না। তিনি নিজে প্রধানমন্ত্রী হয়ে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা চালু করেন। সিরাজুল আলম খানপন্থীদের সাথে বঙ্গবন্ধুর বিরোধ এবং দুরত্বের এটাও একটা অন্যতম কারন বলে মনে করা হয়। কিন্তু এই সংসদীয় ব্যবস্থা সংকট মোকাবিলায় কার্যকর হয় না। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্নীতি লুটপাট, খুনখারাপি বেড়ে গেলে সরকার নতুন করে ভাবতে শুরু করে। ততদিনে মষ্কোপন্থী রাজনীতিকদের সাথে সরকারের ঐক্য হয়ে গেছে। মুলত: তারাই বুদ্ধি দেয় সোভিয়েত ব্যবস্থার আদলে সব দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল শাষনব্যবস্থা কায়েমের জন্য। ভাগিনেয় যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনি তখন দলে বেশ প্রভাবশালী। পরবর্তীকালে জানা গিয়েছিল তিনিই এই বাকশাল ব্যবস্থার জন্য বঙ্গবন্ধুকে রাজী করিয়েছিলেন।
’৭৫এর ২৫শে জানুয়ারি নাখালপাড়ার সংসদ ভবনে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী পাশের মাধ্যমে বাকশাল শাষন কায়েম হয়। এতে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়। আওয়ামী লীগ মোজাফ্ফর ন্যাপ এবং সিপিবি- প্রধানত: এই তিনটি দলের সমন্বয়ে বাকশাল বা বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামে নতুন দল গঠন করা হয়। বঙ্গবন্ধু হন এর চেয়ারম্যান। দেশে রাস্ট্রপতির শাষনব্যবস্থা কায়েম হয় এবং তিনি রাষ্ট্রপতিও হন। বাকশালকে বলা হলো জাতীয় দল। সকল সরকারি কর্মচারি সশস্ত্র বাহিনী পুলিশ আনসার বাহিনীর সদস্যদের জন্য এই দলে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয়। যারা রাজনীতি করতে চান তাদের জন্যও একই বিধান, জাতীয় দলে যোগ দিতে হবে। এমপিরাও যারা বাকশালে যোগদানে বিরত থাকেন তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
এই বাকশাল ব্যবস্থারই একটি অংশ হচ্ছে নিউজপেপার এ্যানালমেন্ট এ্যাক্ট বা অর্ডার। এটা কার্যকর হয় বাকশাল কায়েমের সাড়ে চার মাস পর ’৭৫এর ১৬ই জুন। এদিন থেকে মাত্র চারটি সরকারি দৈনিক বাদে সকল পত্রপত্রিকা বন্ধ হয়ে যায়।
আমি তখন সরকারবিরোধী দৈনিক গণকন্ঠের স্টাফ রিপোর্টার। অবশ্য আমাদের কাগজটা বন্ধ করে দেয়া হয় তারও আগে, ২৫শে জানুয়ারি রাতেই। দিনে বাকশাল পাশ হয়, এর অব্যবহিত পরেই শপথ নিয়ে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট হয়ে যান। আমরা সারা দিনের ইভেন্টগুলো সুন্দর করে লিখে কাগজ সাজাই। রাতে বাসায় ফিরে আসার পর ভোরের দিকে পুলিশ গিয়ে প্রেসের সব ম্যাটার ভেঙ্গে ফেলে। প্রেস সীলগালা করে দেয়। অফিস তালা মেরে সামনে পুলিশ বসিয়ে দেয়। ফলে পরদিন ২৬ জানুয়ারি থেকে কাগজটি অনির্দিস্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।
তার অর্থ আমরা বেকার হলাম ১৬ই জুনের সাড়ে চার মাস আগেই। বলা হলো বেকার সাংবাদিকদেরকে বিভিন্ন সরকারি চাকুরিতে প্রভাইড করা হবে। তখন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল না। মাত্র কিছুদিন আগে দুর্ভিক্ষ গেছে। এই হঠাৎ বেকারত্ব মরার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে উঠলো। এ অবস্থায় সরকারি চাকুরির জন্য অনেকেই নানা দৌড়ঝাপ শুরু করে দিলেন। তবে শর্ত বাকশালে যোগ দিতে হবে।
সাংবাদিকদেরকে বাকশালে যোগ দেওয়ানোর জন্য প্রেসক্লাবে শামসুল হক আলী নুর এবং ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ তৈরী হলো। তারা প্রায় প্রতিদিনই কয়েকজন করে সাংবাদিক ধরে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়ে যোগদান করিয়ে আনতে লাগলেন। আমাদের ওপরেও চাপ এলো। অনেকেই হয়তো ভাবছিলেন বাকশালে যোগ দিলে যদি একটা সরকারি চাকুরি পাওয়া যায় মন্দ কি। তবে গণকন্ঠের সাংবাদিকদের কেউ যোগ দিয়েছিলেন কিনা বা দিলেও কারা আমার জানা নাই। প্রেসক্লাবে তখন এক ধরনের ধুম চলছে। আমি একটু কমকম যেতাম এ সময়টায়। একদিন আলী নুর ক্লাবের নীচতলার বারান্দায় আমাকে পাকড়াও করে বসে। কালই তাদের সাথে গিয়ে বাকশালে যোগ দিয়ে আসতে হবে। আমি আমতা আমতা করে এড়াতে চাই। আলী নুর বলে জয়েন না করলে খুব বিপদে পড়তে হবে। জেলে যেতে হতে পারে, হয়তো দেশেই থাকা যাবে না। ইত্যাদী ইত্যাদী। যাহোক পরদিনই আমি ঢাকা শহর ছেড়ে গ্রামদেশে চলে যাই।
কিছুদিনের মধ্যে জানা যায় সরকারি চাকুরি শুধু তারাই পাবে যারা এ্যানালমেন্ট অর্ডারে বেকার হয়েছে। আমরা বেকার হয়েছি ১৬ই জুনের অনেক আগে, তাও পুলিশি এ্যাকশনে। সে কারনে আমরা সরকারি চাকুরির জন্য বিবেচ্য হবো না। অগত্যা কি আর করা। অন্যান্ন কাগজের বেকার সাংবাদিকদের কেউ কেউ এখানে ওখানে সরকারি চাকুরি পেয়ে গেলেন, আমরা গনকণ্ঠের সাংবাদিকরা বেঁচে থাকার জন্য নানা জায়গায় ঢুঁ মেরে চললাম। কেউ পেশা পরিবর্তন করলেন কারও কারও কপালে বেকারত্বই দীর্ঘমেয়াদী হলো। তখনকার ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দের কাছে অনেক অনুনয়বিনয় করা হয়েছে, যাতে আমাদের জন্য কিছু করেন। কিন্তু কে তাকায় কার দিকে, সবাই তখন দৌড়ের ওপর। শুধু গণকন্ঠের সাংবাদিক কর্মচারিরা নন একই অবস্থায় পড়লেন বিভিন্ন পত্রপত্রিকার হাজার হাজার সাংবাদিক শ্রমিক কর্মচারি। কারন বেকারদেরকে সরকারি চাকুরিতে প্রভাইড করা হবে বলা হলেও মাত্র হাতেগোনা কয়েকজনকে এখানে ওখানে পাঠানো গেছিলো।
অবশেষে গনকণ্ঠ পুন:প্রকাশিত হয়েছিল, ১৯৭৯ সালে। ততদিনে কেউ কেউ দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন, কেউ অন্য পেশায় চলে গেছেন। আমরা যারা মাটি কামড়ে পড়েছিলাম আবার শুরু করি। ১৬ই জুনকে পরবর্তীকালে সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে কালো দিবস ঘোষনা করা হয়েছিল। প্রতি বছর ঘটা করে তা পালনও করা হতো। কিন্তু ইউনিয়ন দুই ভাগ হয়ে যাওয়ার পর এক পক্ষ কালো দিবস বেমালুম চেপে যায়, অন্য পক্ষ স্মৃতি জাগিয়ে রেখে চলে।
সে সময় সংবাদপত্র এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর খড়গ চালিয়ে দেওয়া ছিল একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা। কিন্তু এমন ব্যবস্থা কখনই কারোরই নেওয়া উচিত না যাতে মানুষের পেটে লাথি পড়ে, রুটী রুজী বন্ধ হয়ে যায়। ১৬ই জুনের মর্মবেদনা আমরা হাড়ে হাড়ে বুঝেছিলাম, যারা চার মাস আগেই পুলিশি এ্যাকশনে বেকার হয়ে গেছিলাম। আরও হাজার হাজার সাংবাদিক, কর্মচারি, প্রেস শ্রমিক, তাদের পরিবার পরিজন কি মানবেতর জীবন যাপন করেছে তা আমার নিজের চোখে দেখা। কাউকেই পাশে পাই নাই সে সময়। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে বলা হয়েছে অনন্ত:
সরকারপ্রধানের কাছে গিয়ে আমাদের দুর্দশার কথাগুলো বলা হোক, তাতে তিনি হয়তো আমাদের জন্য কিছু একটা করতেন। কিন্তু কেউই যান নাই। গেছেন অন্য কাজে, আমাদের কথা বলার সাহস বা সুযোগই হয়তো পান নাই।
দু:খের বিষয় হচ্ছে- ১৫ই আগষ্ট পট পরিবর্তনের পর বেশ কয়েক বছর সেইসব অতি উৎসাহি নেতাদেরকে আর আশেপাশে দেখা যায় নাই। স্বার্থপরতা মোসাহেবি চাটুকারিতা অন্ধ দলদাসত্ব কিভাবে রাজনৈতিক বিপর্যয় ঘটায় তা একবার না, বারবার দেখতে হয়েছে।
কিন্তু ইতিহাস স্বাক্ষী, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নিলো না।
*লেখক সিনিয়র সাংবাদিক




