সাকিবের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জামাইকার জয়

লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না সাকিবদের। প্রতিপক্ষ গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিওরস নির্ধারিত ওভারে করেছিল ১২৮।
ব্যাট করতে নেমে জামাইকা তালওয়ারস প্রথম ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে। প্রথম ওভারেই বিধ্বস্ত তাদের ব্যাটিং লাইনআপ।
তারপর ক্রিজে এলেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। জুটি বাধেন আন্দ্রে রাসেলর সাথে।
ব্যাট হাতে শুরুতেই বাউন্ডারি হাকান সাকিব। এক ওভারে দুটি বাউন্ডারি হাকিয়ে দলের ভিত্তি মজবুত করেন।
কিন্তু তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৬ বলে ২৪ রান করে রাসেল ফিরে গেলে সাকিবের সাথে যোগ দেন গেইল।
সাকিব এক ওভারে তিন বাউন্ডারি হাকানোর পর শুরু হয় গেইলের তাণ্ডব। দুই ছক্কা আর বাউন্ডারি হাকিয়ে দলকে আরো এগিয়ে দেন।
শেষ পর্যন্ত সাকিবকে সঙ্গ দেন এই ক্যারিবিয়ান দানবই।
ধীরে ধীরে লক্ষ্যে পৌছাতে থাকে সাকিব-গেইল জুটি।
এর মধ্যেই অর্ধশত করেন সাকিব। ৪৭ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের দ্বারে নিয়ে যান। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসে বাউন্ডারি হাকান সাতটি। কোনো ছক্কা হাকাননি।
অপরপাশে থাকা গেইল করেন ৪৫ রান। ২৯ বলে দুই বাউন্ডারি ও চার ছক্কা হাকান।
শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিল এই জুটি।
এর আগে টসে জিতে গায়ানাকে ব্যাট করতে পাঠায় জামাইকা। স্যাবাইনা পার্কে গায়ানার শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। মার্টিন গাপটিল ফিরে যান শূন্য রানেই। তবে ক্রিস লিন ৩৩, জেসন মোহাম্মদ ৪৬ আর সোহেল তানভীরের ১৫ রানের তিনটি ইনিংস গায়ানার সংগ্রহ দাড়ায় ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রানে।
জ্যামাইকার পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ডেল স্টেইন ও ইমাদ ওয়াসিম।
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও সাকিবের অবদান ছিল। ২ ওভারে ২০ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট
আর এর ফলও পেয়েছেন সাকিব। হয়েছেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়।




