slider

চিরিরবন্দরে পানাভর্তি পুকুরে মিলল মাদক ব্যবসায়ীর মরদেহ

চিরিরবন্দর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পানাভর্তি একটি পুকুর থেকে হাচানুর রহমান (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ।

বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের রাণীপুর গ্রামের বাঁশতলার পাড় নামক এলাকা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসীর ধারণা মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে খুন করা হয়েছে।

মৃত হাচানুর রহমান একই এলাকার ভঘুপাড়ার মৃত মকছেদ আলীর পূত্র।

স্থানীয়সুত্রে জানা যায়, পুকুরের পাশে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন গেলে কচুরিপানায় ভরা পুকুরের ঘাটে দেখতে পায় জুতাসহ একটি পা। দেখার পর বিষয়টি জানাজানি হলে মরদেহ দেখতে ভিড় জমায় হাজার হাজার লোক।

পরবর্তীতে চিরিরবন্দর থানায় খবর দিলে পুলিশের একটি টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বজলুর রশিদ। সকলের উপস্থিতিতে মরদেহটি উদ্ধারের পর সনাক্ত হয় তার পরিচয়, ছুটে আসেন নিহতের স্বজনসহ গ্রামবাসী।

উদ্ধারের পর পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয় খুন হয়েছে পায়ের রগ কাটার কারণে।

পরে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশে মরদেহ’টি ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন চিরিরবন্দর থানা পুলিশ।

এব্যাপারে নিহত হাচানুর রহমানের মা হাসিনা বেগম জানান, “স্থানীয় কিছু মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে আমার ছেলের মাদক বেঁচা-কেনার টাকা লেনদেনের জের ধরেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে”। ছেলের খুনীদেরকে শনাক্ত করে কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তির দাবী জানিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তার মা।

এঘটনায় চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বজলুর রশিদ বলেন, “ঘটনাস্থলে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে আমরা ইতিমধ্যেই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি”।
অন্যদিকে এই হত্যাকাণ্ডে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
হত্যা কিভাবে হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে জানা গেলেও সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button