
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেছেন, ‘এপর্যন্ত দেশের বিভিন্নস্থানে ৫৭ ধারায় যেসব মামলা হয়েছে তার কোনটিই সরকার করেনি। ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধারার অপব্যবহার করে মামলা করা হচ্ছে। যেই এই ধারায় মামলা করুক, এতে সংবাদকর্মী সহ মুক্ত চিন্তার মানুষ হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দায়েরের সাথে সাথে গ্রেফতার করা হচ্ছে, যেখানে ওই মামলার আসামীর জামিনও হচ্ছে না। এই ধারার অপব্যবহারের ফলে মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে চাপ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। একারণে তা বাতিলের দাবি উঠেছে।’
রবিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যেই বলেছেন এই ধারা সংশোধন করা হচ্ছে’ উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘এর পরিবর্তে যে ধারাই আসুক, সেখানে যেন তার অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে আমরা সেই দাবিও জানিয়েছি।’
একইসাথে তিনি আরও বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে অনলাইন, ফেসবুক বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে যেন অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ত্রাস বা নাশকতা করা না যায় সেজন্য অবশ্যই আইন থাকতে হবে।’
বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিইউজে) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিইউজে সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টু। বিইউজে’র সাধারণ সম্পাদক জে এম রউফের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি দৈনিক প্রভাতের আলো পত্রিকার সম্পাদক আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু,বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহ-সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, যুগ্ম মহাসচিব জিএম সজল, বগুড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমানসহ সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে আব্দুল মোত্তালিব মানিক, আব্দুর রহিম বগরা, মিলন রহমান, মোহন আখন্দ, নাজমুল হুদা নাসিম, মাসুদুর রহমান রানা, এসএম কাওসার, এইচ আলিম প্রমুখ।




