রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দামের সাথে সাথে বেড়েছে ফলের দাম। কোনো কোনো ফলের দাম দ্বিগুন হয়ছে কয়েক দিনের ব্যবধানে। দামের আগুন লেগেছে লিচুতেও! বর্তমানে ১০০ লিচুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮০০ টাকা। ফলে বর্তমানে প্রতিটা লিচু খেতে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ৮ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, এখন বাজারে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের লিচু এসেছে। সোনারগাঁওয়ের ১০টি ইউনিয়নে ৩০০ শতাধিক বাগানে আগাম লিচু আসে। এবারো বাম্পার ফলন হয়েছে। আগাম বাজারে আসায় দামটাও একটু বেশি।
জানা যায়, সোনারগাঁও উপজেলার ইছাপাড়া, তাজপুর, খাসনগর, চিলারবাগ,দৈলরবাগ, পানাম, নোয়াইল, দত্তপাড়া, বাগমুছা, অর্জুন্দী, হাতকোপা,দরপত, ছাপেরবন্ধ, গোয়ালদী, টিপরদী, হরিষপুর, ভট্টপুর, লোকশিল্প জাদুঘর, গোবিন্দ্রপুর, গাবতলী, হাড়িয়া, বৈদ্যেরবাজার, সাদীপুর,দুলালপুর, বারদী, সেনপাড়া, বালুয়া দিঘীরপাড়সহ ৬০টি গ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্রায় তিন শতাধিক লিচু বাগান। এসব বাগান থেকে তিন প্রজাতির লিচু আসছে বাজারে। এগুলো হচ্ছে- পাতি লিচু, কদমী লিচু ও বোম্বাই (চায়না-৩) লিচু।
বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সেভাবে এখনও লিচু আসছে না। বৈশাখের শেষ দিকে পুরোদমে আসবে। ঢাকায় এখন শুধু নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে আসা লিচু পাওয়া যাচ্ছে। তাই সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়তির দিকে।
লিচু বিক্রেতা নূর ইসলাম বলেন, ‘১০০ লিচুর দাম ৮০০ টাকা। রসালো ফল হওয়ায় এই তাবদাহের সময় লিচুর চাহিদা বেশি। বাজারে শুধু সোনারগাঁওয়ের লিচুই আসতাছে। তাই দামডাও একটু বেশি।’
পাইকারি ফল বিক্রেতা ও সবুজ এন্টারপ্রাইজের পরিচালক ফয়েজ আহমেদ সবুজ বলেন, ‘লিচুর মৌসুম এখনও শুরু হয়নি। এক থেকে দুই সপ্তাহে পরে লিচুর মৌসুম শুরু হবে। তখন দেশের অন্যান্য জেলা থেকে ঢাকায় লিচু আসা শুরু করবে। তখন হয়তো লিচুর দাম কিছুটা কমবে।’




