
আবু তালহা তোফায়েল,সিলেট: শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ সিলেট জেলা উত্তর শাখা। বিক্ষোভ চলাকালে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বাদ আসর ছাত্র জমিয়তের নেতাকর্মীরা নগরীর কেন্দ্রীয় মসজিদে জড়ো হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান মিলিত হন। বিক্ষোভ মিছিলের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি হাফিজ জাকির হোসাইন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন স্পষ্টভাষী মানুষ। জুলাইয়ের পরও তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নিজের কণ্ঠস্বর অব্যাহত রেখেছিলেন। অন্যায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করেননি।
বক্তারা আরও বলেন, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা উত্তর জমিয়তের সহ সভাপতি নূর আহমদ কাসেমী, মহানগর জমিয়তের সহ-সভাপতি সৈয়দ সালিম কাসেমী,কোতোয়ালি থানা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আহমদ সগির, যুবনেতা মাসউদ আজহার, ছাত্র জমিয়তের সাবেক সহ-সভাপতি আহমাদুল হক উমামা, মহানগর জমিয়তের যুব বি. সম্পাদক লুৎফুর রহমান, যুব জমিয়ত সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক নোমান সিদ্দিকি, হাফিজ খলিলুল্লাহ মাহবুব,সাবেক ছাত্রনেতা আবুল খায়ের,মহানগর ছাত্র জমিয়তের সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, ছাত্র জমিয়ত সিলেট জেলা উত্তরের সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, আব্দুল্লাহ হোসাইন, আবু তালহা তোফায়েল, আব্দুল্লাহ মাহফুজ, হোসাইন আহমদ জাহের, জামিল আহমদ, অনলাইন এক্টিভিস্ট আহমদ সুফিয়ান খান, প্রমুখ।
উল্লেখ্য, জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় চলন্ত একটি মোটরসাইকেল থেকে সন্ত্রাসীরা রিকশায় থাকা শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে। গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গত সোমবার তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সেখানে তার মৃত্যু হয়।
.




