
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে জোরপূর্বকভাবে বাড়ি ভাংচুর ও লুটের ঘটনা ঘটেছে বলেছে মন্তব্য ভুক্তভোগীর-পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ।
গত ৩১ মার্চ উপজেলার দড়িকান্দি এলাকায় পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে রবিউল ইসলামের অবস্থানরত বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে বলে থানার জিডি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে তদারকি করে জানা যায়, উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মৃত বিল্লাল হোসেনের পুত্র রবিউল ইসলাম ও সফিউদ্দীন (শতালো ২ ভাই) ভাইয়ের মধ্যে পূর্বে থেকে জায়গা সংক্রান্ত বিবাদ ও বাগ দন্ড বিদ্যমান রয়েছে । তারই জের ধরে রবিউল ইসলাম বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার সহোদর ভাই শফিক উদ্দিন সহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে এসে তার টিনের বসতঘর ভেঙে ফেলে এবং এ সময় ঘরের খুঁটি, টিন ও বেড়া অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ঘরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল সরিয়ে ফেলা হয় ।
জিডির অভিযোগ সূত্রে উল্লেখ করা হয়,নলুট হওয়া মালামালের মধ্যে ছিল ১টি সুকেস, ১টি সিন্দুক, ১টি আলমারি, ১টি মিটসেফ, ১টি খাট, গ্যাসের সিলিন্ডার ও চুলা, ১২টি চেয়ার, ১টি টেবিল, ১টি টিভি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
যাহার আনুমানিক বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম জানান, ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে তিনি বাড়িতে এসে দেখেন তার বসতঘর সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং ঘরের সব মালামাল সরিয়ে ফেলা হয়েছে । আমি আমার মালামাল ফিরত চাওয়াতে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা সহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমি ওপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং এর সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে অপরপক্ষ সফিজদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ওপর মহলের নির্দেশনায় ঘরবাড়ি ভাংচুর করছি এবং তাদের জিনিস আমার কাছে আমানত হিসেবে রেখে দিয়েছি। কর্তপক্ষ বললে আমি ফিরত দিয়ে দিবো।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আফসার মোল্লার জানান, বিষয়টি আমি অবগত আছি এবং সফিজদ্দীন এর নির্দেশে আমরা ঘর ভেঙে ফেলেছি এবং মালামাল অন্যত্র সরিয়েছিলাম।
বযড়া ইউনিয়নের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আব্দুল কাশেম জানান, আগে থেকে জমি নিয়ে তাদের উভয়ের মধ্যে বিবাদ ছিলো।
আমি ঘটনাটি পরে জানতে পেরেছি এবং জানার পরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম।
এ বিষয়ে হরিরামপুর থানার এসআই এমদাদুল হক জানান, ভুক্তভোগী গতকাল ৪ এপ্রিল একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করছে ।
আমার ওসি স্যার ছুটিতে আছে এ বিষয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘটনার সমাধান করার চেষ্টা করবো।



