
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় হত্যার সাত মাস পর মামলার প্রধান আসামি তার স্ত্রী কানিজ ফাতিমা শিফাকে গ্রেফতার করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে কালিয়াকৈর থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।পরে শুক্রবার সকালে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে গাজীপুর কোর্টে প্রেরণ করেন এবং আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন।রিমান্ড শেষে তাকে গাজীপুর জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
ঘটনায় নিহতের ভাই জুয়েল রানা বাদি হয়ে ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য,নিহত জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ি উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায়। সে ওই এলাকার মো. আমজাদ সিকদারের ছেলে। তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা শিফা।তার বাড়ি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার শ্রীপলতলী ইউনিয়নের খালপাড় গাবতলী এলাকায়। শিফা ওই এলাকার মো.সালা উদ্দিনের মেয়ে।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের ২৫ তারিখ ভোর আনুমানিক ৪-৫ টার দিকে জাহাঙ্গীর তার শশুর বাড়িতে মারা যান।তার শশুর বাড়ির লোকজন বলছে জাহাঙ্গীর স্ট্রোক করে মারা গেছেন কিন্তু জাহাঙ্গীরের পরিবারের ছিল এটি পরিকল্পিত হত্যা।
জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম নিহত হওয়ার ৩-৪ মাস আগে প্রেম করে নিজের আপন মামাতো বোনকে বিয়ে করে। বিয়ের শুরু থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে নানান জল্পনা-কল্পনা। বিয়ের পর থেকে জাহাঙ্গীর শশুর বাড়িতেই থাকে। পারিবারিক কলহের জের ধরে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী এর আগে কীটনাশকও খেয়েছিলেন।
কলিয়াকৈর থানা পুলিশের তথ্যমতে,পোস্ট মর্টেমের রিপোর্টে নিহত জাহাঙ্গীর আলমকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন থানা পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালিয়াকৈর থানার এসআই আব্বাস আলী তালুকদার জানান,হত্যা মামলায় একজন আসামিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছি।বাকী আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।




