স্থানীয়রা শংঙ্কার মধ্যে জয়পুরহাটে ৪র্থ ধাপে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বাড়িঘর, দোকানপাট ভাংচুর আহত-১

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটে ৪র্থ ধাপের নির্বাচন পরবর্তী পৃথক সহিংসতায় সতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীর বাড়িতে, দোকানে হামলা, ভাংচুর ও ফরিদ হোসেন নামে একজনকে আহত করা করার অভিযোগ উঠেছে নৌকা মার্কার কর্মী সর্মথকদের বিরূদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যার আগে সদর উপজেলার ভাদশা ভগবানপুর ও দূর্গাদহ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে ও ভুক্তভুগীদের অভিযোগে জানা যায়, সদ্য ৪র্থ ধাপের নির্বাচনে সদর উপজেলার ভাদশা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী হায়দার আলী ঘোড়া মার্কা প্রতিকের নির্বাচন করেছিলেন ভগবানপুর এলাকার বাদশা। এ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী পরাজিত হওয়ায় নৌকা মার্কার কর্মী সর্মথকরা বাদশার বাড়ির ভিতরে ঢুকে ঘরের টিভি,সোফা বিভিন্ন আসবাপত্র ও তার বাড়ি সংলগ্ন দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে টাকা পয়সা লুটপাট করা হয়। এরপরে সন্ধ্যায় দূর্গাদহ বাজারে বটতলার মোড়ে ঘোড়া মার্কার সমর্থক ফরিদ হোসেন নামে একজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুরুতর আহত করা হয়। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত ফরিদ হোসেন ভাদশা ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের মৃত মাওলানা মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ভাদশা ইউপি সদস্য মুন্না পারভেজ জানান, আমি শুনেছি ঘোড়া মার্কার নির্বাচন করায় বাদশার বাড়িতে হামলা করেছে নৌকার কর্মী সমর্থকরা। তাদের না পেয়ে বাড়ি ও দোকান ভাংচুর করে। এছাড়াও এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে ও সাধারণ জনগন চরম শংঙ্কার মধ্যে রয়েছে ।
এ ব্যাপারে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান স্বাধীন সরোয়ার বলেন, পরাজিত হয়ে তারা নিজেরাই ভাংচুর করে আমার কর্মী সর্মথকের উপর দায় চাপাচ্ছে। এসব অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, সকাল থেকেই ভাদশা ইউনিয়নের কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। তবে এরপরে আর যেন নির্বাচন পরবর্তী কোনো সহিংসতা না হয় পুলিশ প্রশাসন ও আমরা চেষ্টা করছি যেন পরিস্থিতি শান্ত থাকে। ভাদশা ছাড়াও চকবরকত, ধলাহার সহ আরো কয়েকটি ইউনিয়নে এ ধরনের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর জাহান জানান, আমি ঐ এলাকায় এসেছি লিখিত অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হবে।




