স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের দাফন সম্পন্ন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ জেলা মানিকগঞ্জে দাফন সম্পন্ন হয়েছে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের। শুক্রবার বাদ জুমা দুপুর আড়াইটার দিকে মানিকগঞ্জের শহিদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে জেলা শহরের সেওতা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, শুক্রবার ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার প্যারেড গ্রাউন্ডে আসিম জাওয়াদের ফিউনারেল প্যারেড এবং দ্বিতীয় নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর-২১৯ হেলিকপ্টারটি মানিকগঞ্জের শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে।
জানা গেছে, বৈমানিক অসিম জাওয়াদ রিফাতের লাশের সাথে তার বাবা ডা. আমানউল্লা, স্ত্রী অন্তরা আক্তার ও দুই সন্তান হেলিকপ্টারে আসেন এবং নিহত ছেলের বহনকারী হেলিকপ্টার দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা নিলুফা খানমসহ স্বজনরা এবং বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাসহ হাজারো মানুষ।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হকের প্যারেড গ্রাউন্ড-এ মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামস্থ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক থেকে উড্ডয়নের পর প্রশিক্ষণ শেষে ফেরার সময় কর্ণফুলী নদীর মোহনার কাছে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। দুর্ঘটনার পর বৈমানিকদ্বয় উইং কমান্ডার মো. সোহান হাসান খাঁন, পিএসসি এবং স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ জরুরি প্যারাসুট দিয়ে বিমান থেকে নদীতে অবতরণ করেন। বৈমানিকদ্বয়ের মধ্যে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তড়িৎ চিকিৎসার জন্য বিএনএস পতেঙ্গাতে নেয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক সর্বাত্মক প্রচেষ্টার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।




