সৈয়দ শামসুল হকের জীবনাবসান

‘জাগো বাহে কোনঠে সবাই’ –বলে হাঁক দেবার জন্য আর রইলেন না সব্যসাচী লেখক কথাসাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক। মঙ্গলবার বিকেলে না ফেরার দেশে চলে গেছেন নুরলদীনসহ আরও বহু বিখ্যাত চরিত্রের এই স্রষ্টা।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
লেখকের নিকটাত্মীয়রা সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর থেকেই সৈয়দ হকের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছিলো। সে সময় তাকে দ্রুত আইসিউতে স্থানান্তর করা হয়।
ফুসফুসে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। ২০১৬ সালের ১৫ই এপ্রিল চিকিৎসার জন্য সস্ত্রীক লন্ডনে যান তিনি। লন্ডনে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা কর্তৃপক্ষের নিয়মিত চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা চলে তার। তার দেখভাল করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ম্যাকডোনাল্ড। লন্ডনের রয়্যাল মার্সডেন হাসপাতালে কয়েকদিন ভর্তিও ছিলেন এই লেখক।
ক্যান্সারের কেমোথেরাপি নেন ক্যানসার চিকিৎসার জন্য খ্যাত চেলসি অ্যান্ড ওয়েস্টমিনিস্টার হাসপাতালে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও তার রোগমুক্তি মেলেনি।
পরে গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরে আসেন। সে সময় মৃত্যুর কারণে তিনি ভীত নন বলেও গণমাধ্যমের কাছে জানিয়েছিলেন এই কালজয়ী লেখক।
এর মাঝে জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহণ করেন।




