শিরোনামশীর্ষ সংবাদ

সুফিয়া কামালের স্মৃতির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। এই মহীয়সী নারী ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার দেয়া এক বাণীতে এই শ্রদ্ধা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা; অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলো তাঁর আপোষহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সুফিয়া কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন করেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।

‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পঁচাত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এ দেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল’- বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সাহিত্যে সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনি আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

প্রধানমন্ত্রী কবি বেগম সুফিয়া কামালের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বাসস

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button