সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢল না হওয়ায় সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে তবে নদ নদীর পানি কিছুটা কমলেও এখনো ধীরে নামছে হাওরের পানি।
জেলার ৭ উপজেলায় বানের পানিতে এখনো কয়েক লক্ষাধিক পানিবন্দি মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। ঘরবাড়ি থেকে পানি না নামায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে এখনো বাড়িঘরে ফিরতে পারছেন না মানুষজন।
এতে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জায়গা ও খাবার সংকটে বাড়ছে দুর্ভোগ।
এছাড়া অনেক জায়গায় এখনো ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন পানিবন্দি মানুষজন। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও ত্রাণ সংকটে চরম দুর্ভোগে বানভাসি এসব মানুষ।
শুক্রবার সকালে সুরমা নদীর পানি কমে এখন বিপৎসীমার ২৪ মে:মি: নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে হাওরের পানিতে এখনো চাপ রয়েছে ফলে অপরিবর্তিত রয়েছে হাওরে এলাকার বন্যা পরিস্থিতি। কমতে শুরু করেছে শহরের বেশ কিছু এলাকার পানি।
পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া জেলার প্রায় ৩০০ কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি হয়েছ। পানি ক্ষতি হওয়ায় এখনও বন্ধ রয়েছে সুনামগঞ্জ-বিশ^ম্ভরপুর-তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ-দোয়ারবাজার সড়কে সরাসরি যান চলাচল, বন্ধ রয়েছে সুনামগঞ্জ-ছাতক আঞ্চলিক সড়কের যান চলাচলও।
জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, বন্যায় এখন পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
সড়কের ক্ষতি হয়েছে ৩শ কিলোমিটার আর মাছের ক্ষতি হয়েছে ৩০ কোটি টাকার। এসব পানিবন্দি মানুষদের জন্য ৪শ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ১২ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে আর আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে ৩৫৭টি।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ ও বিরোধী দলীয় হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ বলেন, যতদিন বন্যা থাকবে, ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। ত্রাণ পর্যাপ্ত পরিমাণের আছে। কেউই না খেয়ে থাকবে না। দেশ রূপান্তর




