
সত্যজিৎ রায় ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের দুই জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ফেলুদা ও কাকাবাবু। তারাও শামিল হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে চলমান সিএএ-এনআরসি বিরোধী প্রচারে।
ফেলুদার ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট। বোঝাই যাচ্ছে, গভীর চিন্তায় মগ্ন। মগজে শান দিচ্ছেন। আচমকা বলে উঠলেন, “যারা কাগজ দেখতে চাইছে তারা পার পাবে না লালমোহন বাবু।”
অন্যদিকে কাকাবাবু বলছেন, “শোনো রাজকুমার, যারা ধর্মের নামে মানুষ ভাগ করে, কাগজ দেখতে চায়, বাঙালি তাদের ছেড়ে কথা বলবে না।”
এর উলটোদিকও রয়েছে। জয়বাবা ফেলুনাথ ছবিতে মগনলালের সেই প্রচ্ছন্ন হুমকি। শুধু একটু শব্দ পালটে দিয়ে মগনলালের মুখ বসানো হয়েছে, “কী ফেলুবাবু, কাগজ রেডি আছে তো? না হলেই কিন্তু ডিটেনশন ক্যাম্প।”
কলকাতার সংবাদ প্রতিদিন জানায়, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি আইনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে কাল্পনিক আইকনদের সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছে সিপিএম।
সিপিএমের সোশ্যাল সাইটের দায়িত্বপ্রাপ্ত অমিয় পাত্র ও পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বলেন, “প্রায় ৫০ বছর পার হতে চলল, এখনো ছাত্র-যৌবনের কাছে অন্যতম প্রিয় চরিত্র ফেলুদা। পাশাপাশি রয়েছেন কাকাবাবু, তাদের সঙ্গেই রয়েছে লালমোহন গাঙ্গুলি বা জটায়ু এবং অবশ্যই অবিস্মরণীয় মগনলাল। যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আরেক কিংবদন্তি উৎপল দত্ত। তাই সমস্যা যখন দেশের তখন অকৃত্রিম দেশীয় চরিত্ররাই এখন এরআরসি নিয়ে সরব হয়েছে।”
সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েক সপ্তাহ ধরেই ঘুরছে ফেলুদা বা মগনলালের কাগজ দেখানো বা না দেখানোর প্রসঙ্গ।




