sliderস্থানিয়

সাটুরিয়ায় মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ , সাজেদা মেম্বারের বিরুদ্ধে

রাসেল আহমেদ, সাটুরিয়া প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম উঠেছে মাহাফুজা আক্তার নামে এক গৃহবধূ। অথচ ওই গৃহবধূ নিজেই জানেন না,তাঁর নামে এমন ভাতা চালু রয়েছে। এদিকে সেই ভাতার টাকা যায় সংরক্ষিত এক মহিলা সদস্যের অবিবাহিত মেয়ের মোবাইল নম্বরে। তথ্য অনুসন্ধানে এমনই অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বালিয়াটী ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলা সংরক্ষিত ইউপি সদস্যা সাজেদা আক্তারের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে,উপজেলার বালিয়াটী ইউনিয়ন পরিষদের ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্যা সাজেদা আক্তার তাঁর সুপারিশে তথ্য প্রয়োজনীয় কাগজ ব্যবহার করা হয়েছে, উপজেলার ২ নং ওয়াডের ভাঙ্গা বাড়ি গ্রামের মেয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী মাহাফুজা আক্তারকে গর্ভবতী দেখিয়ে ভাতার আবেদন করা হয়। এরপর মাহাফুজা আক্তারের মোবাইল নম্বার(01961-500087)ব্যবহার না করে ইউপি সদস্যের অবিবাহিত মেয়ের মোবাইল নম্বর (01609-242878)ব্যবহার করে সেই ভাতার টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছিল গত ৯ মাস ধরে। মাতৃত্বকালীন ভাতার আওতায় একজন প্রসূতি মা প্রতি মাসে ৮০৫ টাকা হারে তিন বছর ভাতা পেয়ে থাকেন।

ভুক্তভোগী মাহাফুজা আক্তার বলেন, আমি মহিলা মেম্বার সাজেদা আক্তারের কাছে মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য প্রয়ো জনীয় কাগজপত্র ও মোবাইল নম্বার দেই। তিনি আমার মোবাইল নম্বার না দিয়ে তার মেয়ের নম্বার দিয়ে ছিল। পরে জানতে পারি গত নয় মাস ধরে আমার মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা মহিলা মেম্বারের মেয়ের নম্বারে জমা হয়েছে। এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের কঠোর শাস্তি চাই। এছাড়াও ইউপি সদস্য সাজেদা আক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক সেবা প্রাথীর অভিযোগ, টাকা ছাড়া মেম্বার কোন কাজই করে দেয়না নানান অজুহাতে টাকা হাতিয়ে নেন। মাতৃত্বকালীন ভাতা দেওয়ার কথা বলে,লিটন রায়হান,বাদশা সহ একাধিক লোকজনের কাছ হতে টাকা নিয়েছেন ইউপি সদস্য সাজেদা আক্তার, চাপে পড়ে অনেকের টাকা ফেরত ও দিয়েছেন।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্যা সাজেদা আক্তার মোবাইল ফোনে বিষষটি জানান,আমার সাথে এ বিষয়ে নিয়ে স্থানীয়রা মিমাংসা করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইকবাল হোসেন বলেন,এই বিষয়ে আমি অবগত নই, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button