
ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের মুক্তির দাবিতে কয়েক হাজার সমর্থক আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেছেন।
সম্রাটকে আদালতে হাজির করার খবরে সোমবার সকালেই আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন তার সমর্থকরা। তাদের হাতে ছিল তার মুক্তির দাবি সংবলিত ফেস্টুন।
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণ এবং আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকায় আদালতের কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। জামিন হয়নি শুনে তারা ক্ষোভও প্রকাশ করে।
যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ৩০ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশ।
সম্রাটের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করলেও তা নাকচ করেন বিচারক।
যুবলীগ ঢাকা মহানগর কমিটির সাবেক সভাপতি সম্রাটের নাম ক্যাসিনোকাণ্ডে আসার পর গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় যুবলীগের একই কমিটির সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকে।
মাদক মামলায় সম্রাটের সহযোগি এনামুল হক আরমানও আসামি।
এর আগে ৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অস্ত্র মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক।
গত ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় মাদক আইনে করা মামলায় ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক আবদুল হালিম।
ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সবচেয়ে আলোচিত যুবলীগ নেতা সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে ৭ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ঢাকায় তার বাসা ও কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে র্যাব। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া র্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে সম্রাটের বিরুদ্ধে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় দুটি মামলা করে।
সুত্র : দেশ রূপান্তর।




