পতাকা ক্যারিয়ার

সফল ব্যক্তিদের ১০০ জীবনচর্চা: অনুশীলন ৬৩- ‘সময় মতন বাড়ি ফিরুন’

প্রিয় পাঠক, আপনাদের জন্য রয়েছে আমাদের এ নতুন আয়োজন। এখানে ‘দ্য সিল্ক রোড পার্টনারশিপ’ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাইজেল কাম্বারল্যান্ড লিখিত একটি বইয়ের সাথে আপনাদের পরিচয় করানো হবে। বইটির শিরোনাম, ‘হান্ড্রেড থিংস সাকসেসফুল পিপল ডু: লিটল এক্সারসাইজেস ফর সাকসেসফুল লিভিং’। এবং আমরা বইটি অনুবাদ করছি “সফল ব্যক্তিদের ১০০ জীবনচর্চা” শিরোনামে। সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিন এই বই থেকে একটি করে বিষয় আলোচনা করা হবে। আজকের আয়োজনে জেনে নিন সফল ব্যক্তিদের করা ৬৩ নম্বর বিষয়টি সম্পর্কে।
অনুশীলন ৬৩- ‘সময় মতন বাড়ি ফিরুন’
আর্নস্ট ও ইয়াং এর ২০১৪ সালের একটি গ্লোবাল সার্ভে মতে, তিনজনের মধ্যে একজন কর্মজীবি মানুষ বলে থাকেন, গত পাঁচ বছরে তাদের কর্মজীবন ম্যানেজ করা খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আমি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মানুষকে প্রশিক্ষণ দিই যারা অভিযোগ করেন যে তাঁরা কোনভাবেই কর্মক্ষেত্র থেকে আগেভাগে বেরোতে পারেন না। কিভাবেই বা পারবেন বলুন? আপনি বাড়ি ফিরে রাতের খাবার সারার কথা চিন্তাই করতে পারেন না যখন দেখেন যে আপনার কার্যসীমার বাইরে কাজ করতে হচ্ছে।
কাজের ভার সহ্য করার দুটো উপায় আছে, সেগুলো হল-
* অন্যেরা যে কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি, সেগুলো আপনি করার জন্য দায়বদ্ধ নন। এড়িয়ে চলা শিখুন।
* অতিরিক্ত সময় কাজ করুন।
আপনি যদি ঠিক সময়ে কাজ সম্পন্ন করতে না পারেন তবে এর ভার কিন্তু আপনাকেই বহন করতে হবে।
নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে কাজ করতে সত্যিই খুব খারাপ লাগে, মাঝেমধ্যে খুব অসহায় মনে হয় নিজেকে। এ প্রথা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসুন। অফিসের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সকল কাজ সম্পাদন করার চেষ্টা করুন। এটিকে অভ্যাসে পরিণত করে ফেলুন।
দক্ষতার সঙ্গে কাজ করুন
সফলতার গোপন সূত্র হলো দক্ষতার সঙ্গে কাজ করা। খুব দ্রুত কিংবা ডাবল কাজ করার কোন দরকার নেই। সৃজনশীল এবং পরিপাটি উপায়ে কাজ করলেই চলবে।
* আপনার উদ্দেশ্য অন্যদের খুলে বলুন। আপনার যদি বিকেল ৫:৩০ টার মধ্যে অফিস থেকে বেরোতে হয়, তবে সহকর্মীদের আগেই জানিয়ে রাখুন। এতে করে তারাও উৎসাহিত এবং অনুপ্রাণিত হবেন।
* সকালে এসেই সারাদিন কি করবেন তার একটি তালিকা তৈরি করে রাখুন।
* যে কাজগুলো খুব একটা জরুরী নয়, সেগুলো এড়িয়ে চলা শিখুন। অনর্থক কাজে সময় নষ্ট করার কোন মানে হয়না।
* এখন যে কাজটি করা দরকার, সেটি পরের জন্য ফেলে রাখবেন না কোনভাবেই।
* আপনার সহকর্মীদের ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার উৎসাহ প্রদান করুন। এতে করে, একটি সুস্থ কার্য-পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
* কাজের ব্যাপারগুলো অফিসেই রেখে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলো কোনভাবেই যেন বাসা পর্যন্ত না গড়ায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button