শ্বেত শাপলার শুভ্র হাসি

আব্দুর রাজ্জাক : এ যেন শাপলার রাজ্য। আগাছা আর লতা-পাতা-গুল্মে ভরা বিলের পানিতে শত-সহ¯্র সাদা শাপলা। সবুজ পাতার আচ্ছাদনে ঢাকা পড়েছে জলরাশি। প্রকৃতির বুকে আঁকা এ যেন এক নকশিকাঁথা। শ্বেত শাপলার শুভ্র হাসি চোখজুড়ানো এমন দৃশ্য উপভোগ করতে লোকজন ভীড় করছে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বাষ্টিয়া এলাকার “মেন্দী বিলে”. সৌন্দর্য্য উপভোগের পাশাপাশি অনেকেই এখান থেকে শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছন।
শাপলা ফুটে রাতের স্নিগ্ধতায় আর দিনের আলোতে আস্তে আস্তে বুজে যায়। একটি শাপলার স্থায়িত্ব একনাগাড়ে সাত দিন পর্যন্ত হয়ে থাকে। শাপলা ‘নিমফিয়েসি’ গোত্রের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম- ঘুসঢ়যধপধধব. ইংরেজি নাম-ডধঃবৎ খরষর. উদ্ভিদ বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে শাপলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে আদিম দ্বিবীজপত্রী হিসেবে গণ্য করা হয়। ‘শাপলা’ শুধুই যে সৌন্দর্যের প্রতীক তা কিন্তু নয়। এর ঔষধি গুণসম্পন্ন উপকারিতাও রয়েছে। এর বাইরের পাপড়িগুলো অত্যন্ত কোমল। সবজী হিসেবে এর কদর ও মূল্য দুটোই বেশ ভালো। বেশ পুকুরে বা বিলে যখন আলো করে শাপলা ফুটে থাকে, তখন সেই রূপের সঙ্গে পৃথিবীর আর কোনো ফুলের সৌন্দর্যকে তুলনা করা যায় না। সত্যিই এই শাপলার হাসি অতুলনীয়।




